MOHAMMADPUR PARISH
Name : St. Christina’s Church (1990) Address : Catholic Church, Mohammadpur 92 Asad Avenue, Dhaka-1207 Tel. : (00 88 02) 8114134 Parish Priest : Fr. David S. Gomes Mobile : (+88) 017 1978 9737 E-mail : frdgomes61@yahoo.com Assistant : Fr. Kakon L. Corraya Mobile : 01630237000 Email : lukekakon@yahoo.com Catholics : 2,167 ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে সাধ্বী খ্রিষ্টিনা নামে অভিহিত এই ধর্মপল্লীটি প্রতিষ্ঠিত হয় পিমে ধর্মসংঘের ফাদারগণ কর্তৃক। সত্তর দশকের শেষভাগে মোহাম্মদপুর ও মিরপুর এলাকায় খ্রিষ্টবিশ্বাসের বীজ রোপিত হয়েছিল অনেকের অজান্তে ক্ষুদ্রাকারেই। চাকুরি, জমি ও বাসস্থানের প্রয়োজনে এ এলাকাগুলোতে কিছু কিছু খ্রিষ্টভক্ত বসবাস শুরু করেন। এভাবেই ক্ষুদ্র বীজটি পত্র-পল্লবে, ফুলে-ফলে বিকশিত হয়ে এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি সেন্ট খ্রিষ্টিনা নতুন গির্জাটি উদ্বোধন ও আশীর্বাদ করা হয় এবং ধর্মপল্লী হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর। এরপর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মপল্লীর কার্যক্রম শুরু হয়। সেন্ট খ্রিষ্টিনা ধর্মপল্লীরূপে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বৃহত্তর মোহাম্মদপুর এলাকা তেজগাঁও ধর্মপল্লীর অধীনে ছিল। ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও, পিমে ফাদারদের অনুরোধ করেন এই এলাকায় একটি গির্জা নির্মাণ করার জন্য। ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে ও তারও পূর্বে কাপিতানিও কনভেন্টের চ্যাপেলে মোহাম্মদপুরের খ্রিষ্টভক্তদের জন্য রবিবাসরীয় খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করা হতো। তেজগাঁও ধর্মপল্লী থেকে ফাদারগণ এসে এখানে মিসা দিতেন। সেন্ট খ্রিষ্টিনা গির্জা নির্মাণে ফাদার জান আন্তনী বাইও, পিমে’র অনেক অবদান রয়েছে। তিনিই এই গির্জার প্রথম পাল পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই ধর্মপল্লীর আওতায় রয়েছে পিমে হাউজ, আরএনডিএম সিস্টার হাউজ, পবিত্র ক্রূস ভ্রাতৃ ধর্মসংঘের প্রভিন্সিয়াল হাউজ, মারীয়া বাম্বিনা ও কাপিতানিও কনভেন্ট, সেন্ট যোসেফস্ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সেন্ট যোসেফ ইটারন্যাশনাল স্কুল, টি.এ.গাঙ্গুলী টিচারস্ ট্রেনিং কলেজ, গ্রীণ হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, খ্রিষ্টান ছাত্রাবাস ইত্যাদি। ফাদার আরতুরো বেড়ীবাঁধের কাছে মোহাম্মদপুরের নিচু এলাকায় একটি কাথলিক কবরস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। বর্তমানে ধর্মপ্রদেশীয় ফাদারগণ ধর্মপল্লীটি পরিচালনা করছেন। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার তপন ডি’ রোজারিও পালপুরোহিত থাকাকালীন সুশিক্ষা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে মাত্র ১৫ জন কচি-কাঁচাদের নিয়ে সেন্ট পলস্ মিশন স্কুলের যাত্রা শুরু করেন।


