Name : Holy Rosary Church (1677)
Address : Catholic Church, Tejgaon
P.O. Tejgaon, Dhaka-1215
Tel. : (00 88 02) 8142093
Parish Priest : Fr. Subroto Boniface Gomes
Mobile : (+88) 017 1503 3011
Email : frsbgomes@gmail.com
Name : Fr. Jholok Anthony Dessai
Mobile : (+88) 01709105897
E-mail : jholokanthony@gmail.com
Name : Fr. Sony Michael Rozario
Mobile : (+88) 01770807090
E-mail : sony.rozario89@gmail.com
Catholics : 10,380
তেজগাঁও গির্জা হলো পর্তুগীজ নির্মিত এ উপমহাদেশে এ যাবৎ প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপত্যের একটি। তেজগাঁও পুরাতন গির্জার চূড়ার উপরে স্থাপিত খোদাই করা শিলালিপি আরবিক ভাষায় ১৬৭৭ সংখ্যাটি দেখায়। তাই ১৬৭৭ সনটিই হয়তো তেজগাঁও জপমালা রাণী গির্জা প্রতিষ্ঠার বছর। ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে গির্জা ঘরের জীর্ণ ছাদটি পুনসংস্কার করা হয়। এ সময় পাল পুরোহিত ফাদার ডমিনিক ডি’রোজারিও, সিএসসি। বিশপ টি, জে, ক্রাউলির নির্দেশে জরুরী ভিত্তিতে তা মেরামত করান। এজন্যই গির্জার প্রধান প্রবেশদ্বারের উপরে ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের উল্লেখ আছে।
১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে বটমলী হোম অরফানেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে ধর্মপল্লীতে প্রাণ চাঞ্চল্য ধীরে ধীরে বেড়ে উঠে। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে কুনীপাড়া ও বেগুনবাড়ীর এলাকা শিল্প এলাকারূপে গড়ে উঠায় এই দুই অঞ্চলের বহু খ্রিষ্টান পরিবারকে সরে পড়তে হয়।
সত্তর থেকে আশির দশকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিশেষ করে আঠারোগ্রামের অনেকেই তেজগাঁও এলাকায় জমি ক্রয় করে বসতি স্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলি হলো মনিপুরি পাড়া, রাজাবাজার, মহাখালী এবং তেজকুনী পাড়া। ফলে তেজগাঁও ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।
তিনশ বৎসরের পুরাতন গির্জা ঘরটিতে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। ভক্তদের সংখ্যা দিন দিন কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছিল। তাই এ সময় স্থানীয় পালপুরোহিতসহ সকলেই একটি নতুন গির্জা ঘর নির্মাণের প্রয়োজন অনুভব করেন। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ মার্চ আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি বহুদিনের প্রতীক্ষা ও অনেকের সমবেত প্রচেষ্টার স্মারক পবিত্র জপমালা রাণীর নতুন গির্জা ঘরের আশীর্বাদ ও শুভ উদ্বোধন করা হয়। নতুন গির্জা ঘরের ধারণ ক্ষমতা ১৫০০ জন। ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে পুরাতন ও নতুন গির্জার বেশ কিছু সংস্কার কাজ করা হয়। তেজগাঁও ধর্মপল্লীর বর্তমান লোক সংখ্যা প্রায় ২০,০০০ জন। তাই দেখা যাচ্ছে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যার দিক দিয়ে তেজগাঁও সর্ববৃহৎ ধর্মপল্লী। পবিত্র জপমালা রাণী হলেন তেজগাঁও ধর্মপল্লীর প্রতিপালিকা।
বনানী উপ–কেন্দ্র
বনানীতে মেজর সেমিনারীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে। সেইসময় থেকেই বনানী ও গুলশান এলাকায় বিদেশী হাউজে কর্মরত কাথলিকগণ সেমিনারীর গির্জায় রবিবারের উপাসনায় যোগ দেওয়া শুরু করেন। পরবর্তীতে বিদেশী কাথলিকগণ যাদের মধ্যে বেশিরভাগই রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক ব্যক্তিগণ ও চাকুরীজীবীগণ সেমিনারীর গির্জায় রবিবারের উপাসনায় যোগ দিতেন। এছাড়াও গার্মেন্টস্ শিল্প, বিউটি পার্লার ও দেশি-বিদেশিদের হাউজে কর্মরত কাথলিকগণ বনানীতে রোববারের খ্রিষ্টযাগে যোগদান করেন। দিনের পর দিন এই সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবং গির্জা ঘরে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে বর্তমান পবিত্র আত্মার গির্জাটি অন্যান্য বিশপগণসহ আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও শুভ উদ্বোধন ও আশীর্বাদ করেন। এই গির্জাটির কারুকার্য শিল্পমণ্ডিত ও চিত্রকর্ম অপূর্ব ও অর্থপূর্ণ।
বনানী সেমিনারীর ফাদারগণই বনানী উপ-কেন্দ্রের পালকীয় ও সংস্কারীয় কাজগুলি পরিচালনা করে থাকেন। ভক্তজনগণের বিভিন্ন সংস্কারগুলো গ্রহণে প্রস্তুত করে গড়ে তোলা ও প্রদান করার কাজটিও ফাদারগণ করেন। দীক্ষাস্থান, প্রথম খ্রিষ্টপ্রসাদ ও হস্তার্পণের প্রস্তুতি, বিবাহ, রোগীলেপন, ধর্মশিক্ষা ক্লাস ইত্যাদি কাজগুলি বনানী সেমিনারীয়ান ও ফাদারগণ করে থাকেন।
