Name : Our Lady of Fatima Catholic Church (1953)
Address : Catholic Church, Cumilla
: P.O. Box-27, Cumilla-3500
Mobile : (+88) 017 1476 2430
Parish Priest : Fr. Thomas Corraya
E-mail : thomascorraya@gmail.com
Assistant : Fr. Philip Tushar Gomes
Mobile : 0181996671
Email : philip.gomes44@yahoo.com
Catholics : 250
কুমিল্লা ধর্মপল্লীটি স্থাপিত হয় ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে। ধর্মপল্লীটি ফাতিমা রাণীর নামে উৎসর্গীকৃত। ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার বার্বে কুমিল্লা পরিদর্শনে এসেছিলেন। ১৮৪৯ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার পালক ফাদার ট্রেসী কুমিল্লা গিয়ে চারজন কাথলিকদের কাছ থেকে পুণ্যপিতা পোপের জন্য চাঁদা সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর মাঝে মধ্যে ঢাকা, তুমিলিয়া ও তেজগাঁও থেকে ফাদারগণ গিয়ে কুমিল্লার অল্প সংখ্যক কাথলিকদের পরিচর্যা করতেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ রয়াল এয়ার ফোর্স কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। তাদের সুবিধার্থে একটি ছনের গির্জিকা এবং চ্যাপ্লেইনের জন্য ছনের ঘর ছিল। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ৭ জুন স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে ফাদার ফ্রেডারিক বার্গম্যান, সিএসসি কুমিল্লা যান। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী চলে গেলে গির্জিকা ও যাজক-ভবনটি আয়ত্বে আনবেন। কিন্তু একই বছরের ২০ জুলাই দ্বিতীয় সফরে গিয়ে দেখেন সশস্ত্র বাহিনী চলে গেছেন। দু’দিন পর তিনি ২৮০ টাকায় গির্জিকা, যাজক-ভবন, রান্না ঘর ও আরও তিনটি কুঁড়ে ঘর ক্রয় করেন। তখন আগরতলা থেকে যাজক মাঝে মধ্যে কুমিল্লা আসতেন। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর ফাদার ফ্রান্সিস উইস্, সিএসসি, প্রথম আবাসিক যাজকরূপে কুমিল্লা যান। তিনি ছনের গির্জাকাটি প্রথমে মেরামত ও কয়েক মাস পর পুনঃনির্মাণ করেন। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে এক প্রচণ্ড ঝড়ে কুমিল্লার ছনের গির্জিকাটি ধ্বসে পড়ে। আর্চবিশপ গ্রেইনারের উৎসাহে ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর মেরিয়ানাইট অব হলি ক্রস সংঘের সিস্টারগণ কুমিল্লায় একটি কনভেন্ট চালু করেন।
ফাদার উইস এঙ্গলিকান গির্জাটি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে দু’একর জমিসহ ৮,০০০ টাকায় তা ক্রয় করেন। মেরামতের পর সে বছরের বড়দিন রাতে নতুন গির্জায় প্রথম কাথলিক উপাসনা হয়। এখান থেকে প্রতিমাসে একবার করে বা দু’বার করে ফাদার ৪৫ মাইল দূরে চাঁদপুর, ১৫ মাইল দূরে লাকসাম, ৩০ মাইল দূরে আখাউড়ার কাথলিকদের পরিচর্যা করতেন। এ ছাড়াও ৬০ মাইল দূরে সাহেবগঞ্জও ফাদার যেতেন। পরবর্তীতে সাহেবগঞ্জ চট্রগ্রাম ডায়োসিসকে দেওয়া হয় পালকীয় যত্ন দানের জন্য। ফাদার ডানিয়েল ক্যানার্ক, সিএসসি দীর্ঘদিন এই ধর্মপল্লীর দায়িত্বে ছিলেন। আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও ধর্মপল্লীর ভিতরেই ছেলেদের জন্য একটি স্কুল করেছেন। আর্চবিশপ পৌলিনুস কস্তা কুমিল্লা গির্জা ও ফাদার বাড়ির প্রচুর সংস্কার কাজ সাধন করেন। আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ ওএমআই যাজকভবন নির্মাণ করেন। অতি অল্পসংখ্যক স্থায়ী খ্রিস্টভক্ত রয়েছে কুমিল্লা ধর্মপল্লীতে। তবে চাকুরির কারণে বেশ কিছু আদিবাসি ও অভিবাসী খ্রিস্টবিশ্বাসী রয়েছে।
