History and Heritage

Atharogram, History and Heritage

HASHNABAD PARISH

        Name                   :     Our Lady of the Holy Rosary Church (1777)         Address               :     Catholic Church, Hashnabad                                             P. O. Hashnabad, Dhaka-1321         Parish Priest       :     Fr. Stanislaus Gomes         Mobile                 :     (+88) 01712259798         E-mail                  :     fr.stanislaus@gmail.com         Assistant            :     Fr. Ripon Anthony D’ Rozario         Mobile                 :     (+88) 01762384004         E-mail                  :     drozario.riponanthony@yahoo.com         Assistant            :     Fr. Abel B. Rozario         Mobile                 :     (+88) 018 3537 1012         Catholics            :     3,477 মোলাশিকান্দা, হাসনাবাদ, ইক্রাশি, নয়ানগর, ইমামনগর, রাহুৎহাটি, নয়ানশ্রী এই সাতিটি গ্রামের সমন্বয়ে হাসনাবাদ ধর্মপল্লী গঠিত। মালিকান্দা ও নাগেরকান্দা মিশনের সমসাময়িককাল থেকেই হাসনাবাদে খ্রিষ্টান বসতি ছিল। কিন্তু শুরুতে হাসনাবাদের লোকজনের জন্য কোন গির্জা সেইসময় ছিলো না বিধায় এইসব খ্রিষ্টানগণ মালিকান্দা ও নাগরকান্দা গির্জায় গিয়ে খ্রিষ্টযাগে যোগদান করতেন। ঐতিহ্য অনুসারে দেখা যায়, ফাদার রাফায়েল গমেজ ছিলেন হাসনাবাদ গির্জার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম পালপুরোহিত।  ফাদার রাফায়েল ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে হাসনাবাদে প্রথম বাণীপ্রচার কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং বসবাসের জন্য পার্শ্ববর্তী গ্রাম বান্দুরায় একটি ছোট কুটির নির্মাণ করেন।     ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে হাসনাবাদে প্রথম গির্জা নির্মিত হয় এবং জপমালা রাণীর নামে উৎসর্গ করা হয়। ফলে গির্জার নামকরণ হয় জপমালা রাণীর গির্জা। প্রথম গির্জার চাল ছিলো ছনের এবং চারিদিকে বাঁশের বেড়া। শুধুমাত্র বেদি ছিলো পাকা। ক্রমে লোকসংখ্যা বাড়তে থাকলে বড় গির্জাঘরের প্রয়োজন অনুভূত হয়। বর্তমানে বৃহৎ সুদৃশ্য গির্জাটি নির্মিত হয় ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে। গির্জা ঘরটি দুর্বল হয়ে পড়লে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় ফাদার জ্যোতি এ গমেজ পুরনো স্থাপত্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে এই ঐতিহ্যবাহী গির্জাটির কিছু নতুন সংযোজন করে বিশাল সংস্কার করেন। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে গির্জাটি নতুনরূপ লাভ করে এবং আশীর্বাদ করা হয়। বর্তমানে হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা ৩৪৭৭ জন। IKRASHI CHURCH CENTER Read More

Bhawal, History and Heritage

NAGARI PARISH

        Name                   :     St. Nicholas of Tolentino Church (1695)         Address               :     Catholic Church, Nagari                                             P.O. Nagari, Dist. Gazipur-1463         Tel.                        :     (00 88 06823) 51954-6         Parish Priest        :     Fr. Khokon V. Gomes         Mobile                  :     (+88) 017 1215 3839         E-mail                   :     fr.vincentg67@gmail.com         Assistant             :     Fr. Biswajit Barnard Borman         Mobile                  :     (+88) 01317423003         Email                    :     biswajitbormonab@gmail.com         Catholics             :     8,287                                                          নাগরী ধর্মপল্লীটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। নাগরীর খ্রিষ্টবিশ্বাসের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। গাজীপুর জেলায় নাগরীতেই প্রথম খ্রিষ্টধর্মের আগমন ঘটে। তাই নাগরী ধর্মপল্লীতে খ্রিষ্টানদের বসবাস তিনশ পঞ্চাশ বছরেরও বেশি হবে। ১৬৯৫ খ্রিষ্টাব্দের অনেক আগে থেকেও এখানে খ্রিষ্টানদের বসবাস শুরু হয় এবং সতের শতকের শেষভাগে যথেষ্ট খ্রিষ্টান এখানে বাস করতেন। সে সময় পর্তুগীজ মিশনারীগণ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় খ্রিষ্টধর্ম প্রসার ও খ্রিষ্টভক্তদের যত্ন নিতে থাকেন। পর্তুগীজ বণিকগণ এ অঞ্চলে বিভিন্ন পণ্য, বিশেষ করে মসলা সন্ধানে এসেছিলেন যেন ইউরোপে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারের সুবিধার্থে তারা বিভিন্ন জায়গায় স্থায়ী উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন যা কালক্রমে জমিদারিতে পরিণত হয়। গোয়ায় বৃহত্তর উপনিবেশ স্থাপিত হওয়ার পর পর্তুগীজ বণিকদের সঙ্গে মিশনারীগণও আসেন। সেইসব মিশনারীদের কর্মতৎপরতায় ১৬৬৫ খ্রিষ্টাব্দে নাগরী ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য যে, নাগরী গির্জার সম্মুখভাগে এর নির্মাণকাল হিসাবে ‘১৬৬৩’ উল্লেখ আছে। ১৬৬৩ খ্রিষ্টাব্দের উল্লেখ এটি অনুমান করা হয় যে, এ বছরটি হয়তো নাগরীতে আগত কোষাভাঙ্গার কাথলিকদের উৎপত্তির বছর বা  কোষাভাঙ্গার গির্জা নির্মাণের খ্রিষ্টাব্দ। যেহেতু উক্ত অঞ্চলের লোক এখানে বসতি করেছেন, সেহেতু তারা তাদের উৎপত্তি বা কোষাভাঙ্গার প্রথম গির্জার নির্মাণ খ্রিষ্টাব্দটি নাগরীতেও অক্ষুণ রাখতে চেয়েছেন। নাগরী পুরাতন ইটের গির্জাটি ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। নাগরী গির্জা প্রতিষ্ঠার কিছুকাল পর পার্শ্ববর্তী পাঞ্জোরা গ্রামে আরেকটি গির্জা (চ্যাপেল) গড়ে উঠেছে। ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ফেব্রয়ারি মাইলাপুরের বিশপ থিওটোনিও ডি’কস্তা, তাঁর প্রথম নাগরী সফরের সময় পাঞ্জোরা গির্জা পুনঃনির্মাণ করেন। এ সময় একটি কনভেন্ট নির্মাণ করা হয়। ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মাদ্রাজ হতে সিস্টারগণ পাঞ্জোরায় প্রথম আসেন এবং তারা খ্রিষ্টবাণী প্রচার করেন।  এ সময় পাঞ্জোরাতে মেয়েদের জন্য একটি স্কুল নির্মাণ করা হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার সারটোরিও নাগরীর পালপুরোহিত ছিলেন। ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে নাগরীতে ছেলেদের জন্য জমিদার ফাদারগণ সেন্ট নিকোলাস হাইস্কুল স্থাপন করেন। ইটের গাথা জরাজীর্ণ পুরাতন গির্জাটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এবং ভক্তদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পালপুরোহিত ফাদার ডেভিড শ্যামল গমেজ একটি বড় ও সুদৃশ্য নতুন গির্জা তৈরি করেন। টলেন্টিনুর সাধু নিকোলাস হলেন নাগরী ধর্মপল্লীর প্রতিপালক। নাগরী ধর্মপল্লীতে বর্তমান খ্রিষ্টভক্তগণের সংখ্যা প্রায় ৮,২৮৭ জন। পারারটেক নাগরী ধর্মপল্লীর একটি সাব সেন্টার। বর্তমানে সালেসিয়ান সিস্টারগণ সেখানে স্থায়ীভাবে থেকে ফাদারদের সঙ্গে পালকীয় কাজে সহায়তা করেন।

Dhaka City, History and Heritage

LUXMIBAZAR PARISH

        Name                   :     Holy Cross Church (1868)         Address               :     Catholic Church, Luxmibazar                                             82, Municipal Office St.                                             Luxmibazar, Dhaka-1100         Tel.                       :     (00 88 02) 7111281         Parish Priest      :     Fr. Donel Stephen Cruze, CSC         E-mail                  :     donel80@gmail.com         Mobile                 :     (00 88) 01833678282         Assistant            :     Fr. Hemlet Botlero, CSC         Mobile                 :     (+88) 01715036416         E-mail                  :     botlerof@gmail.com         Catholics            :     1,600 লক্ষ্মীবাজার পুরাতন ঢাকার একটি জনবহুল এলাকা। বুড়িগঙ্গা নদীর সন্নিকটে এই ঐতিহাসিক এলাকাটি এক সময় ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ছিল। বাংলাদেশ খ্রিষ্টমণ্ডলীর ইতিহাসে লক্ষ্মীবাজার এক প্রণিধানযোগ্য নাম। লক্ষীবাজারের বুকে অবস্থান করে সারা বাংলায় খ্রিষ্টের সাক্ষ্য  বহন করে পথ চলছে পবিত্র ক্রূসের গির্জা ও ধর্মপল্লী। ১৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার নারিন্দা এলাকায় আগস্টিনিয়ান ধর্মসংঘের ফাদারদের গির্জা ছিল। সেটার নাম ছিল ‘স্বর্গোন্নীতা রাণীর গির্জা’।ব্রিটিশদের আগমনে ঢাকায় খ্রিস্টানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে, এখানে একটি নতুন গির্জার প্রয়োজন পড়ে। তদুপরি, নারিন্দা গির্জাটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ১৮১৫খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগীজ ফাদার এম. দা পিয়েদাদ আমপট্টিতে ‘ভক্তিরাণীর গির্জা’ নির্মাণ করেন। ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে  লক্ষ্মীবাজারে একটি গির্জা নির্মিত হয়। গির্জাটি ১৮৮৩ খ্রিষ্টাব্দের প্রলংকরী ঝড়ে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে পবিত্র ক্রূস ধর্মসংঘের ফাদারগণ ১৮৮৮/১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে সেন্ট গ্রেগরীজ হাই স্কুল সংলগ্ন স্থানে নতুন আরেকটি গির্জা নির্মাণ করেন। গির্জার নাম হয় ‘সাধু লুইসের ক্যাথিড্রাল’। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের প্রলংকরী ভূমিকম্পে গির্জাটিতে ফাটলের সৃষ্টি হয় ও তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই এই ভূমিকম্পে গির্জাটি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বর্তমান গির্জাঘরটি একই স্থানে স্থাপিত হয়। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে  লক্ষীবাজারে ধর্মপল্লী স্থাপিত হয়। এর নামকরণ করা হয় ‘হলি ক্রস চার্চ’। পরবর্তীতে দীর্ঘকাল পবিত্র ক্রূস গির্জাটি ক্যাথিড্রাল হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে পোপীয় আদেশ বলে রমনার গির্জাটিকে ক্যাথিড্রালে উন্নীত করা হলে লক্ষ্মীবাজারের ক্যাথিড্রালটি হলি ক্রস চার্চে-এ পরিণত হয়। লক্ষ্মীবাজার ধর্মপল্লীর অন্তর্ভুক্ত ওয়ারী কবরস্থান। বর্তমানে লক্ষ্মীবাজার ধর্মপল্লীর অধীনে রয়েছে পুরাতন ঢাকার পুরো অংশ (পূর্বেকার রেল লাইনের, ফুলবাড়িয়া থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত), সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ইসলামপুর, হাজারীবাগ, নারিন্দা, ওয়ারী এসব এলাকা। লক্ষ্মীবাজার ধর্মপল্লীর বর্তমান লোকসংখ্যা ১৩২৯ জন। এই ধর্মপল্লীর আওতায় রয়েছে পবিত্র ক্রূস ফাদার-ব্রাদার, আরএনডিএম ও মিশনারীজ অব চ্যারিটি সিস্টারগণ।

Dhaka City, History and Heritage

TEJGAON PARISH

        Name                   :     Holy Rosary Church (1677)         Address               :     Catholic Church, Tejgaon                                            P.O. Tejgaon, Dhaka-1215         Tel.                       :     (00 88 02) 8142093         Parish Priest      :     Fr. Subroto Boniface Gomes         Mobile                 :     (+88) 017 1503 3011         Email                   :     frsbgomes@gmail.com         Name                   :     Fr. Jholok Anthony Dessai         Mobile                 :     (+88) 01709105897         E-mail                  :     jholokanthony@gmail.com         Name                  :     Fr. Sony Michael Rozario         Mobile                 :     (+88) 01770807090         E-mail                  :     sony.rozario89@gmail.com         Catholics             :     10,380 তেজগাঁও গির্জা হলো পর্তুগীজ নির্মিত এ উপমহাদেশে এ যাবৎ প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপত্যের একটি। তেজগাঁও পুরাতন গির্জার চূড়ার উপরে স্থাপিত খোদাই করা শিলালিপি আরবিক ভাষায় ১৬৭৭ সংখ্যাটি দেখায়। তাই ১৬৭৭ সনটিই হয়তো তেজগাঁও জপমালা রাণী গির্জা প্রতিষ্ঠার বছর। ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে গির্জা ঘরের জীর্ণ ছাদটি পুনসংস্কার করা হয়। এ সময় পাল পুরোহিত ফাদার ডমিনিক ডি’রোজারিও, সিএসসি। বিশপ টি, জে, ক্রাউলির নির্দেশে জরুরী ভিত্তিতে তা মেরামত করান। এজন্যই গির্জার প্রধান প্রবেশদ্বারের উপরে ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের উল্লেখ আছে। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে বটমলী হোম অরফানেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে ধর্মপল্লীতে প্রাণ চাঞ্চল্য ধীরে ধীরে বেড়ে উঠে। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে কুনীপাড়া ও বেগুনবাড়ীর এলাকা শিল্প এলাকারূপে গড়ে উঠায় এই দুই অঞ্চলের বহু খ্রিষ্টান পরিবারকে সরে পড়তে হয়।  সত্তর থেকে আশির দশকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিশেষ করে আঠারোগ্রামের অনেকেই তেজগাঁও এলাকায় জমি ক্রয় করে বসতি স্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এলাকাগুলি হলো মনিপুরি পাড়া, রাজাবাজার, মহাখালী এবং তেজকুনী পাড়া। ফলে তেজগাঁও ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। তিনশ বৎসরের পুরাতন গির্জা ঘরটিতে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। ভক্তদের সংখ্যা দিন দিন কেবল বৃদ্ধিই পাচ্ছিল। তাই এ সময় স্থানীয় পালপুরোহিতসহ সকলেই একটি নতুন গির্জা ঘর নির্মাণের প্রয়োজন অনুভব করেন। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ মার্চ আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি বহুদিনের প্রতীক্ষা ও অনেকের সমবেত প্রচেষ্টার স্মারক পবিত্র জপমালা রাণীর নতুন গির্জা ঘরের আশীর্বাদ ও শুভ উদ্বোধন করা হয়। নতুন গির্জা ঘরের ধারণ ক্ষমতা ১৫০০ জন।  ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে পুরাতন ও নতুন গির্জার বেশ কিছু সংস্কার কাজ করা হয়। তেজগাঁও ধর্মপল্লীর বর্তমান লোক সংখ্যা প্রায় ২০,০০০ জন। তাই দেখা যাচ্ছে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যার দিক দিয়ে তেজগাঁও সর্ববৃহৎ ধর্মপল্লী। পবিত্র জপমালা রাণী হলেন তেজগাঁও ধর্মপল্লীর প্রতিপালিকা। বনানী উপ–কেন্দ্র বনানীতে মেজর সেমিনারীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে। সেইসময় থেকেই বনানী ও গুলশান এলাকায় বিদেশী হাউজে কর্মরত কাথলিকগণ সেমিনারীর গির্জায় রবিবারের উপাসনায় যোগ দেওয়া শুরু করেন। পরবর্তীতে বিদেশী কাথলিকগণ যাদের মধ্যে বেশিরভাগই রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক ব্যক্তিগণ ও চাকুরীজীবীগণ সেমিনারীর গির্জায় রবিবারের উপাসনায় যোগ দিতেন। এছাড়াও গার্মেন্টস্ শিল্প, বিউটি পার্লার ও দেশি-বিদেশিদের হাউজে কর্মরত কাথলিকগণ বনানীতে রোববারের খ্রিষ্টযাগে যোগদান করেন। দিনের পর দিন এই সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবং গির্জা ঘরে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে বর্তমান পবিত্র আত্মার গির্জাটি অন্যান্য বিশপগণসহ আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও শুভ উদ্বোধন ও আশীর্বাদ করেন। এই গির্জাটির কারুকার্য শিল্পমণ্ডিত ও চিত্রকর্ম অপূর্ব ও অর্থপূর্ণ।  বনানী সেমিনারীর ফাদারগণই বনানী উপ-কেন্দ্রের পালকীয় ও সংস্কারীয় কাজগুলি পরিচালনা করে থাকেন। ভক্তজনগণের বিভিন্ন সংস্কারগুলো গ্রহণে প্রস্তুত করে গড়ে তোলা ও প্রদান করার কাজটিও ফাদারগণ করেন।  দীক্ষাস্থান, প্রথম খ্রিষ্টপ্রসাদ ও হস্তার্পণের প্রস্তুতি, বিবাহ, রোগীলেপন, ধর্মশিক্ষা ক্লাস ইত্যাদি কাজগুলি বনানী সেমিনারীয়ান ও ফাদারগণ করে থাকেন।  MOHAKHALI CHURCH CENTER

Scroll to Top