Author name: Dhaka Archdiocese

Gamasa

ZIRANI CHURCH-CENTER (Resident Priest)

        Name                      :     Jesus Worker Center (2009)                                                Gazipur or South Pani Sail                                                Mommun Rd, Zirani- Gazipur         Priest-in-Charge    :     Fr. Gualzetti Gian Paolo, PIME         Mobile                    :     (+88) 017 7629 1752         E-mail                     :     gualzetti.gianpaolo@pime.org         Catholics               :     1,700 যিশু কর্মী কেন্দ্র, জিরানি (ই–পিজেড) উপ–কেন্দ্র ই-পি-জেড সাভার উপজেলার মধ্যে একটি শিল্প এলাকা। এই এলাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক যুবক-যুবতী কাজের সন্ধানে  এসে বিভিন্ন কলকারখানা ও সংরক্ষিত শিল্প এলাকায় কাজ করছেন। এদের জন্য প্রথমে ফাদার ডমিনিক রোজারিও খ্রিষ্টযাগের ব্যবস্থা করেন। মাঝে মধ্যে ধরেণ্ডা ধর্মপল্লীর  ফাদারগণও যেতেন। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে পিমে ফাদারগণ এখানে জায়গা ক্রয় করেন এবং বহুতল ভবন নির্মাণ করেন। এরপর থেকে পিমে ফাদারগণই এই এলাকার পুরো দায়িত্ব নেন এবং পালকীয় কাজের বিস্তার ঘটান। তাঁরা অবকাঠামোগতভাবেও অনেক উন্নয়ন সাধন করেন। পিমে ফাদারগণ ও সিস্টারগণ এখনে স্থায়ীভাবে থেকে তাঁদের পালকীয় কাজ করে যাচ্ছেন। ফাদার-সিস্টারগণ বিশেষভাবে কর্মজীবী মানুষের যত্ন নিয়ে থাকেন। জিরানি যিশু কেন্দ্রের ফাদার হাউজের পাশে কর্মজীবী বোনদের থাকার ব্যবস্থাও আছে। বর্তমানে এই কেন্দ্রে কাথলিকদের সংখ্যা হবে প্রায় ৩০০ জনের মতো। 

KEWACHALA QUASI PARISH (2018)

BINDUBARI CHURCH CENTER

        Name                   :     St. Paul’s Church         Address               :     Vill: Bindubari                                             P.O. Shreepur                                             Dist. Gazipur

KEWACHALA QUASI PARISH (2018)

SHIMULCHALA CHURCH CENTER

        Name                   :     St. Francis Xavier Church         Address               :     Vill: Shimulchala                                           P.O. Boali                                           Dist. Gazipur

KEWACHALA QUASI PARISH (2018)

TENGRA CHURCH CENTER

        Name                   :     Good Shepherd Church               Address               :     Vill: Tengra                                             P.O. Shreepur                                             Dist. Gazipur

KEWACHALA QUASI PARISH (2018)

SHIMULIA CHURCH CENTRE

        Name                   :     St. Anthony’s Church (2008)         Address               :     Catholic Church, Shimulia                                            P.O. Fulbaria Bazar                                            PS. Kaliakur, Dt. Gazipur Tengra কেওয়াচালা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ফুলবাড়িয়া ইউনিয়েন অবস্থিত শিমুলিয়া উপকেন্দ্রটি গড়ে উঠেছে। এখান থেকে পুরো কালিয়াকৈর, গাজীপুর সদর উপজেলায় কোচদের মধ্যে সেবাকাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে শিমুলচালা গ্রামে ১০টি কাথলিক পরিবার আছে। কেন্দ্রটি ২০০৫  খ্রিষ্টাব্দে পিমে ফাদার ফ্রাংকোর মার দানে ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ফাদার ডমিনিক বাংলাদেশে ভাতিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ পল চাং ইন নাম- এর  সাহায্যে প্রথম গির্জা, বোর্ডিং, সিস্টার বাড়ি নির্মাণ করেন। কালের প্রবাহে ফাদার বাইও আরো জমি ক্রয় করেন ও সীমানা প্রচীরের কাজ সমাপ্ত করেন। ফাদার নতুন গির্জা ও সিস্টারদের থাকার ঘর নির্মাণ করেন। এখানে বর্তমানে ১টি গির্জা, ছোট ছেলেমেয়েদের ১টি বোর্ডিং, সিস্টারদের থাকার ঘর, ডিসপেন্সারী ও ফাদারদের থাকার ঘর রয়েছে। এখানকার খ্রিষ্টভক্তগণ বেশিরভাগ হলেন কোচ, বর্মন, মান্দি, উড়াঁও, সান্তাল, মান্দাই ইত্যাদি। শিমুলিয়া উপকেন্দ্রটিতে প্রায় ৪৫টিরও বেশি গ্রাম রয়েছে যেখানে বাণী প্রচারের ক্ষেত্র বেশি।

Gamasa

KEWACHALA QUASI PARISH (2018)

        Name                   :     St. Augustine Church (2007)            Address               :     Vill: Kewachala,                                           P.O. Kewa Bazar, Dist. Gazipur         Parish Priest       :     Fr. Patrick S. Gomes         Mobile                 :     (+88) 01911134878         E-mail                  :     psimongomes@yahoo.com         Assistant            :     Fr. Leon Xavier Rozario         Mobile                 :     (+88) 01780023317         E-mail                  :     leonrozario4@gmail.com         Catholics            :     1,225 কেওয়াচালা শ্রীপুর উপজেলার একটি গ্রাম। আগে কেওয়াচালা ও তার আশেপাশের গ্রামে অনেক গারো ভাইবোনেরা বসবাস করতেন। কিন্তু বর্তমানে তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন অঞ্চলে চলে গেছেন। বর্তমানে শুধু কেওয়াচালা গ্রামে কোচ ও গারোদের ৭০টি পরিবারের মতো আছে।  ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে আনন্দ মারাকের দানকৃত সম্পত্তিতে মাটির একটি গির্জা ঘর নির্মাণ করা হয়। গির্জার নামকরণ করা হয় কেওয়াচালা সাধু আগস্টিনের গির্জা। একসময় ফাদার পল গমেজ ময়মনসিংহে থাকা অবস্থায় তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কেওয়াচালা খ্রিষ্টভক্তদের পালকীয় যতে নিতেন। ফাদার ডমিনিক রোজারিওকে আর্চবিশপ মাইকেল বনানী উচ্চ সেমিনারীতে অধ্যাপনার পাশাপাশি ফাওকাল, কোনাবাড়ী ও কেওয়াচালার খ্রিষ্টভক্তদের পালকীয় যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব দেন। আর্চবিশপ পিমে ফাদারদের অনুরোধ করেন এই বিশাল দায়িত্বে ফাদার ডমিনিককে সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য। বর্তমানে টেংরা (উরাঁও), বিন্দুবাড়ী (উঁরাও ও কোচ), গোয়ালবাইদ, কোকিলচালা ও ছিটপাড়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার দীক্ষা গ্রহণ করে। এখানকার বিভিন্ন কল-কারখায় কাজ করার  জন্যেও অন্যান্য এলাকার খ্রিষ্টভক্তরা এখানে বসবাস করছেন। ফাদার জন আন্তনী বাইও পিমে কেওয়াচালায় খুবই সুন্দর একটি নতুন গির্জা ঘর ও ফাদারদের বাড়ি নির্মাণ করেন। স্কুলের নতুন দালন এবং ছেলেদের জন্য বোর্ডিং দালান নির্মাণ করেন। BINDUBARI CHURCH CENTER SHIMULCHALA CHURCH CENTER SHIMULIA CHURCH CENTRE TENGRA CHURCH CENTER

FAUCAL QUASI PARISH (2018)

HATIABO CHURCH CENTER

        Name                   :     Our Lady of the Blessed                                                  Sacrament Church          Address              :     Vill: Hatiabo                                                      P.O. BOF, 23 Ward                                             Block No-C, Holding No- 840/1                                             Gazipur Citi, Gazipur

Gamasa

FAUCAL QUASI PARISH (2018)

        Name                   :     St. Therese of Child Jesus (1972)         Address               :     Catholic Church Faucal                                             Vill: Faucal, P.O. B.O.F, Dist. Gazipur         Parish Priest       :     Fr. Maxwell Thomas         Mobile                 :     (+88) 01715-771318         Email                   :     fr.maxbd@gmail.com                         Catholics            :     2,500 (including other sub-centers) স্বাধীনতা যুদ্ধের বেশ আগেই জয়দেবপুর জেলা সদর এলাকায় নাগরী ধর্মপল্লীর বাগদী গ্রামের ডা. বার্ণাড রোজারিও, যাকে সবাই বিনু ডাক্তার বলে জানতেন কিছু জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ডা. বার্ণার্ডের অনুরোধে রমনা ও তেজগাঁও থেকে ফাদার পল গমেজ ও ফাদার পিটার বি রোজারিও, বৎসরে দু’একবার তার বাসায় এসে মিসা দিতেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গাজীপুরে মেশিন টুলস্ কারখানা স্থাপিত হলে এই কারখানায় কাজ করার জন্য ভাওয়াল অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে খ্রিষ্টানগণ আসেন। খ্রিষ্টভক্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকায় তাদের আধ্যাত্মিক পরিচর্যার জন্যে ডা. বার্ণার্ডের বাসায় মাসে একবার খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ হতে থাকে। ফাদার পিটার দেশাই ও অন্যান্যদের সাহায্য-সহযোগিতায় জয়দেবপুরে একটি ছনের গির্জা ঘর তৈরি করা হয়। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার ডমিনিক রোজারিও, তেজগাঁও ধর্মপল্লীতে সহকারী যাজক থাকাকালীন প্রতি রোববার এই কেন্দ্রে এসে মিসা দেওযার ব্যবস্থা করেন। হাতিয়াব গ্রামের অবহেলিত কোচ ব্যাপ্টিষ্ট খ্রিষ্টানদের প্রতিও ফাদার ডমিনিক তাঁর পালকীয় যত্ন জোরদার করেন। বনগ্রাম বা কুইচ্চামারা গ্রামেও তাঁর পালকীয় কাজ প্রসারিত করেন। ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর বনগ্রাম, হাতিযাব, জয়দেবপুর থেকে মোট ৩৩ জনকে দীক্ষা দেওয়া হয়।  ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ফাওকাল কেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ফাদার আঞ্জেলো কান্তন, পিমে। তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরো দুই বিঘা জমি ক্রয় করা হয়। তিনি এখানে একটি পাকা গির্জা, শান্তি রাণী সিস্টারদের জন্য দুতলা কনভেন্ট, পাকা টিনশেডের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গির্জার সম্পত্তি রক্ষার জন্য দেয়াল নির্মাণ করেন। শান্তি রাণী সিস্টারগণ ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এখানে স্থায়ীভাবে থাকা আরম্ভ করেন। পরবর্তীতে  ডিসপেন্সারী নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা প্রায় ১২০০ শত। সম্প্রতি ফাওকালকে কোয়াজী ধর্মপল্লী হিসেবে ঘোষণা ও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।  HATIABO CHURCH CENTER

TUITAL PARISH

SUNABAJU CHURCH

        Name                   :     Fatima Rani Church (1924)         Address               :     Catholic Church, Sunabaju                                             P. O. Joykrishnapur                                             Dist. Dhaka-1322 তুইতাল থেকে ৪ মাইল দূরে পশ্চিমে সোনাবাজু গ্রাম। এ গ্রামের কাথলিকগণ সবচেয়ে পুরনো। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বর্তমান শিবালয়ের (আরিচা) কাছাকাছি শ্রীপুর নামে একটি নদী বন্দর ছিলো যা এখন পদ্মাবক্ষে বিলীন হয়ে গেছে। ঐ বন্দরে পর্তুগীজদের একটি জাহাজ মেরামত কারখানা ছিলো যার সুবাদে গড়ে উঠেছিলো একটি খ্রিষ্টান বসতি। ঐ বসতিই হলো সোনাবাজু গ্রামের খ্রিষ্টান বসতির উৎপত্তিস্থল। সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর মর্যাদা লাভ করে পঞ্চাশ দশকে স্বর্গীয় আর্চবিশপ লরেন্স লিও গ্রেইনার, সিএসসি মহোদয়ের সময়ে। সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর ফাতিমা রাণীর প্রথম এবং দ্বিতীয় দু’টি গির্জা নির্মাণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পিছনে চল্লিশ দশক থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত সোনাবাজুর খ্রিষ্টভক্তদের সাথে তুইতালের পাল পুরোহিত সকলেরই উৎসাহ-অবদান বিদ্যমান। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সোনাবাজুতে বাঁশ ও ছনের প্রথম গির্জা নির্মিত হয়। তখন থেকে ফাদার সলোমন ও অন্যান্য ফাদার সপ্তাহে একবার করে সেখানে গিয়ে খ্রিষ্টযাগ অর্পণ করতেন। পরে সেখানে টিনের গির্জাঘর নির্মিত হয় যা প্রাইমারী স্কুল হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। লোকসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সোনাবাজুবাসীগণ বৃহদায়তনের পাকা গির্জা নির্মাণের প্রয়োজন বোধ করেন। তাই ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে সকলের আর্থিক সহায়তায় ফাতিমা রাণীর নামে বর্তমান পাকা গির্জাটি নির্মিত হয়। সোনাবাজু গ্রামের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবার আমেরিকাতে অভিবাসিত। তাছাড়া অনেক পরিবার ঢাকায় বসবাসরত। ফলে ছোট এই গ্রামটি ধীরে ধীরে মানব শুন্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর কাথলিক লোক সংখ্যা প্রায় ৩০০। এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই বিদেশে কর্মরত। 

Atharogram

TUITAL PARISH

        Name                   :     Holy Spirit Church (1914)                       Address               :     Catholic Church, Tuital                                             P .O. Daudpur, Dist. Dhaka-1322         Parish Priest       :     Fr. Ponkoj P.  Rodriques         Mobile                 :     (+88) 017 3084 4573         Email                   :     ponkojrodrigues@gmail.com         Catholics            :     1,050 (including Sunabaju) ধর্মপল্লী হিসেবে তুইতাল ধর্মপল্লীর ইতিহাসের শুরু ২৫ মে ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে। এই সময় এক বিশপীয় আদেশ জারির মাধ্যমে তুইতালকে হাসনাবাদ থেকে আলাদা করে নতুন ধর্মপল্লী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। তুইতালের খ্রিষ্টভক্তগণ বর্তমানে যেখানে বসবাস করছেন খুব সম্ভবত ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকেই সেখানে বসবাস শুরু করেন। নাগরী ও হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর ইতিহাসে তুইতাল খ্রিষ্টভক্তদের উৎপত্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। এখান থেকেই জানা যায়, তুইতাল গ্রামের খ্রিষ্টানগণ ১৬৮২ থেকে ১৭১২-এর মধ্যে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার লরিকূল থেকে ঝানকি মৈনট মালিকান্দা হয়ে তুইতাল এলাকায় গিয়ে বসতি গড়ে তোলেন। কিছু কিছু লোক ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে মুশুরিখোলা হয়ে তুইতাল আসেন। ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ মে তুইতাল ধর্মপল্লী স্থাপিত হয়। হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর সহকারী পালপুরোহিত ফাদার নবার্ত আভেলিনো লবো, সিএসসি, এ গির্জার প্রথম পালক নিযুক্ত হন। দায়িত্ব পাওয়ার পর একই বছরে ফাদার বকচর গ্রামে বাঁশ ও ছন দিয়ে গির্জাঘর নির্মাণ করেন। এই বকচরেই সুদীর্ঘ ৫০ বছর তুইতাল ধর্মপল্লীর স্থায়িত্ব ছিল। ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ নভেম্বর ফাদার লবো তুইতাল নতুন গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে তুইতাল গির্জাটি সম্পূর্ণরূপে নির্মিত হয়। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জুন তিনজন পুরোহিতের উৎসর্গীকৃত পবিত্র খ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে নবনির্মিত গির্জা উদ্বোধন করা হয়। ‘পবিত্র আত্মার’ নামে গির্জাটি উৎসর্গ করা হয়। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে তুইতাল কনভেন্টের জন্য একটি নিচু জমি ক্রয় করা হয়। কিন্তু সেখানে ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে অষ্ট্রেলিয়া থেকে মারিষ্ট সিস্টারগণ এসে ‘তুইতাল হেলথ্ সেন্টার’ বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করেন। প্রেরিতদের রাণী সিস্টারগণও সে কেন্দ্রে সহায়তা করতেন। ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বর এই হেলথ সেন্টার ও দুটি স্কুল ঘর আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ এডুয়ার্ড ক্যাসেডি এই অনুষ্ঠানে প্রধান পৌরহিত্য করেন। ফলে আঠারোগ্রাম অঞ্চলবাসীর সুচিকিৎসার দ্বার উন্মোচিত হয়। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও তুইতাল নতুন গির্জার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ মে পবিত্র আত্মার পর্বদিনে নতুনভাবে নির্মিত গির্জা ঘরটি আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করা হয়। ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাসে আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও ফাদারদের থাকার নবনির্মিত ঘরটিও আশীর্বাদ করেন। তুইতাল গির্জার প্রতিপালক হলেন পবিত্র আত্মা। SUNABAJU CHURCH Read More

Scroll to Top