Author name: Dhaka Archdiocese

TUITAL PARISH

SUNABAJU CHURCH

        Name                   :     Fatima Rani Church (1924)         Address               :     Catholic Church, Sunabaju                                             P. O. Joykrishnapur                                             Dist. Dhaka-1322 তুইতাল থেকে ৪ মাইল দূরে পশ্চিমে সোনাবাজু গ্রাম। এ গ্রামের কাথলিকগণ সবচেয়ে পুরনো। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বর্তমান শিবালয়ের (আরিচা) কাছাকাছি শ্রীপুর নামে একটি নদী বন্দর ছিলো যা এখন পদ্মাবক্ষে বিলীন হয়ে গেছে। ঐ বন্দরে পর্তুগীজদের একটি জাহাজ মেরামত কারখানা ছিলো যার সুবাদে গড়ে উঠেছিলো একটি খ্রিষ্টান বসতি। ঐ বসতিই হলো সোনাবাজু গ্রামের খ্রিষ্টান বসতির উৎপত্তিস্থল। সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর মর্যাদা লাভ করে পঞ্চাশ দশকে স্বর্গীয় আর্চবিশপ লরেন্স লিও গ্রেইনার, সিএসসি মহোদয়ের সময়ে। সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর ফাতিমা রাণীর প্রথম এবং দ্বিতীয় দু’টি গির্জা নির্মাণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পিছনে চল্লিশ দশক থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত সোনাবাজুর খ্রিষ্টভক্তদের সাথে তুইতালের পাল পুরোহিত সকলেরই উৎসাহ-অবদান বিদ্যমান। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সোনাবাজুতে বাঁশ ও ছনের প্রথম গির্জা নির্মিত হয়। তখন থেকে ফাদার সলোমন ও অন্যান্য ফাদার সপ্তাহে একবার করে সেখানে গিয়ে খ্রিষ্টযাগ অর্পণ করতেন। পরে সেখানে টিনের গির্জাঘর নির্মিত হয় যা প্রাইমারী স্কুল হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। লোকসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সোনাবাজুবাসীগণ বৃহদায়তনের পাকা গির্জা নির্মাণের প্রয়োজন বোধ করেন। তাই ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে সকলের আর্থিক সহায়তায় ফাতিমা রাণীর নামে বর্তমান পাকা গির্জাটি নির্মিত হয়। সোনাবাজু গ্রামের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবার আমেরিকাতে অভিবাসিত। তাছাড়া অনেক পরিবার ঢাকায় বসবাসরত। ফলে ছোট এই গ্রামটি ধীরে ধীরে মানব শুন্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে সোনাবাজু উপ-ধর্মপল্লীর কাথলিক লোক সংখ্যা প্রায় ৩০০। এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই বিদেশে কর্মরত। 

Atharogram

TUITAL PARISH

        Name                   :     Holy Spirit Church (1914)                       Address               :     Catholic Church, Tuital                                             P .O. Daudpur, Dist. Dhaka-1322         Parish Priest       :     Fr. Ponkoj P.  Rodriques         Mobile                 :     (+88) 017 3084 4573         Email                   :     ponkojrodrigues@gmail.com         Catholics            :     1,050 (including Sunabaju) ধর্মপল্লী হিসেবে তুইতাল ধর্মপল্লীর ইতিহাসের শুরু ২৫ মে ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে। এই সময় এক বিশপীয় আদেশ জারির মাধ্যমে তুইতালকে হাসনাবাদ থেকে আলাদা করে নতুন ধর্মপল্লী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। তুইতালের খ্রিষ্টভক্তগণ বর্তমানে যেখানে বসবাস করছেন খুব সম্ভবত ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকেই সেখানে বসবাস শুরু করেন। নাগরী ও হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর ইতিহাসে তুইতাল খ্রিষ্টভক্তদের উৎপত্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। এখান থেকেই জানা যায়, তুইতাল গ্রামের খ্রিষ্টানগণ ১৬৮২ থেকে ১৭১২-এর মধ্যে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার লরিকূল থেকে ঝানকি মৈনট মালিকান্দা হয়ে তুইতাল এলাকায় গিয়ে বসতি গড়ে তোলেন। কিছু কিছু লোক ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনের শিকার হয়ে মুশুরিখোলা হয়ে তুইতাল আসেন। ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ মে তুইতাল ধর্মপল্লী স্থাপিত হয়। হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর সহকারী পালপুরোহিত ফাদার নবার্ত আভেলিনো লবো, সিএসসি, এ গির্জার প্রথম পালক নিযুক্ত হন। দায়িত্ব পাওয়ার পর একই বছরে ফাদার বকচর গ্রামে বাঁশ ও ছন দিয়ে গির্জাঘর নির্মাণ করেন। এই বকচরেই সুদীর্ঘ ৫০ বছর তুইতাল ধর্মপল্লীর স্থায়িত্ব ছিল। ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ নভেম্বর ফাদার লবো তুইতাল নতুন গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে তুইতাল গির্জাটি সম্পূর্ণরূপে নির্মিত হয়। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জুন তিনজন পুরোহিতের উৎসর্গীকৃত পবিত্র খ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে নবনির্মিত গির্জা উদ্বোধন করা হয়। ‘পবিত্র আত্মার’ নামে গির্জাটি উৎসর্গ করা হয়। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে তুইতাল কনভেন্টের জন্য একটি নিচু জমি ক্রয় করা হয়। কিন্তু সেখানে ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে অষ্ট্রেলিয়া থেকে মারিষ্ট সিস্টারগণ এসে ‘তুইতাল হেলথ্ সেন্টার’ বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করেন। প্রেরিতদের রাণী সিস্টারগণও সে কেন্দ্রে সহায়তা করতেন। ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বর এই হেলথ সেন্টার ও দুটি স্কুল ঘর আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চবিশপ এডুয়ার্ড ক্যাসেডি এই অনুষ্ঠানে প্রধান পৌরহিত্য করেন। ফলে আঠারোগ্রাম অঞ্চলবাসীর সুচিকিৎসার দ্বার উন্মোচিত হয়। ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও তুইতাল নতুন গির্জার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ মে পবিত্র আত্মার পর্বদিনে নতুনভাবে নির্মিত গির্জা ঘরটি আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করা হয়। ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাসে আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও ফাদারদের থাকার নবনির্মিত ঘরটিও আশীর্বাদ করেন। তুইতাল গির্জার প্রতিপালক হলেন পবিত্র আত্মা। SUNABAJU CHURCH Read More

Atharogram

SOLEPUR PARISH

        Name                   :     St. Joseph’s Church (1850)         Address               :     Catholic Church, Solepur                                             P. O. Hashara, Dist. Munshiganj-1553         Parish Priest        :     Fr. Lintu Francis D’Costa         Mobile                  :     (+88) 017 8691 0109         E-mail                   :     frlintu@gmail.com         Catholics             :     3,400 শুলপুর, বড়ই হাজি ও মজিদপুর এই তিনটি গ্রাম নিয়েই শুলপুর ধর্মপল্লী। শুলপুর ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টানগণ আঠারোগ্রাম অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সাথে সমাজভুক্ত। পুরানো ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, সম্ভবতঃ ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে হুগলী থেকে পলায়মান ও ফরিদপুর জেলার লরিকূলে আশ্রয়গ্রহণকারী কাথলিকদের বংশধর শুলপুর ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তগণ। ১৬৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দের সময়কালে প্রমত্তা পদ্মার ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নদীর অপর পাড়ে নারিশা, ঝানকি, মালিকান্দা ইত্যাদি অঞ্চলে নতুন আবাস গড়ে তুলেন। কিন্তু সেখানেও পদ্মা নদীর আগ্রাসী ভাঙ্গনে জমা-জমি হারিয়ে একটা অংশ শুলপুর অঞ্চলে গিয়ে স্থায়ী বসতি গড়ে তুলেন। ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে শুলপুরে খালের ধারে বর্তমান কবরস্থানের মাঝখানে প্রথম গির্জা নির্মিত হয়। ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাস থেকে শুলপুরের প্রথম আবাসিক যাজক ছিলেন ফাদার পল জে, ল্যাগাঁ, সিএসসি। এ গির্জা প্রথমে ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দের ঝড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে এ স্থান থেকে কিছু দূরে যাজক ভবনের কাছে নতুন গির্জা নির্মিত হয়। পুরাতন গির্জায় জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ও সময়ের দাবীতে এবং ধর্মবিশ্বাস প্রসারের সুফল লক্ষ্য করে আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও পুরনো গির্জাটি ভেঙ্গে একই স্থানে আধুনিক স্থাপত্যে নতুন গির্জা নির্মাণ করেন। ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে আর্চবিশপ লরেন্স গেই্রনারের উদ্যোগে শুলপুরে সিস্টারদের কনভেন্ট স্থাপিত হয় এবং সিস্টারগণ স্থায়ীভাবে থাকা শুরু করেন। ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে শুলপুরে প্রাইমারী স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে সেটা হাই স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়। শুলপুর ধর্মপল্লীর বর্তমান কাথলিক জনসংখ্যা প্রায় ৩৪০০।  গির্জার প্রতিপালক হলেন সাধু যোসেফ।

HASHNABAD PARISH

IKRASHI CHURCH CENTER

        Name                   :     St. Joseph’s Church         Address               :     Vill: Ikrashi                                             P.O. Palamgonj, Dhaka

Atharogram, History and Heritage

HASHNABAD PARISH

        Name                   :     Our Lady of the Holy Rosary Church (1777)         Address               :     Catholic Church, Hashnabad                                             P. O. Hashnabad, Dhaka-1321         Parish Priest       :     Fr. Stanislaus Gomes         Mobile                 :     (+88) 01712259798         E-mail                  :     fr.stanislaus@gmail.com         Assistant            :     Fr. Ripon Anthony D’ Rozario         Mobile                 :     (+88) 01762384004         E-mail                  :     drozario.riponanthony@yahoo.com         Assistant            :     Fr. Abel B. Rozario         Mobile                 :     (+88) 018 3537 1012         Catholics            :     3,477 মোলাশিকান্দা, হাসনাবাদ, ইক্রাশি, নয়ানগর, ইমামনগর, রাহুৎহাটি, নয়ানশ্রী এই সাতিটি গ্রামের সমন্বয়ে হাসনাবাদ ধর্মপল্লী গঠিত। মালিকান্দা ও নাগেরকান্দা মিশনের সমসাময়িককাল থেকেই হাসনাবাদে খ্রিষ্টান বসতি ছিল। কিন্তু শুরুতে হাসনাবাদের লোকজনের জন্য কোন গির্জা সেইসময় ছিলো না বিধায় এইসব খ্রিষ্টানগণ মালিকান্দা ও নাগরকান্দা গির্জায় গিয়ে খ্রিষ্টযাগে যোগদান করতেন। ঐতিহ্য অনুসারে দেখা যায়, ফাদার রাফায়েল গমেজ ছিলেন হাসনাবাদ গির্জার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম পালপুরোহিত।  ফাদার রাফায়েল ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে হাসনাবাদে প্রথম বাণীপ্রচার কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং বসবাসের জন্য পার্শ্ববর্তী গ্রাম বান্দুরায় একটি ছোট কুটির নির্মাণ করেন।     ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে হাসনাবাদে প্রথম গির্জা নির্মিত হয় এবং জপমালা রাণীর নামে উৎসর্গ করা হয়। ফলে গির্জার নামকরণ হয় জপমালা রাণীর গির্জা। প্রথম গির্জার চাল ছিলো ছনের এবং চারিদিকে বাঁশের বেড়া। শুধুমাত্র বেদি ছিলো পাকা। ক্রমে লোকসংখ্যা বাড়তে থাকলে বড় গির্জাঘরের প্রয়োজন অনুভূত হয়। বর্তমানে বৃহৎ সুদৃশ্য গির্জাটি নির্মিত হয় ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে। গির্জা ঘরটি দুর্বল হয়ে পড়লে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় ফাদার জ্যোতি এ গমেজ পুরনো স্থাপত্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে এই ঐতিহ্যবাহী গির্জাটির কিছু নতুন সংযোজন করে বিশাল সংস্কার করেন। ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে গির্জাটি নতুনরূপ লাভ করে এবং আশীর্বাদ করা হয়। বর্তমানে হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা ৩৪৭৭ জন। IKRASHI CHURCH CENTER Read More

GOLLA PARISH

BAKSHANAGAR CHURCH

        Name                   :     St. Anthony of Padua Church (1860)          Address              :     Catholic Church, Bakshanagar                                             P.O. Choto Bakshanagar                                             Dist. Dhaka-1320          Parish Priest      :    Fr. Tushar Philip বর্তমান বক্সনগরের কাথলিকদের পূর্বপুরুষ হাসনাবাদ ও গোল্লা কাথলিকদের মতই পুরানো। তারা ১৬৮০ থেকে ১৭১২ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লরিকূল থেকে স্থানীয় জমিদারের আনুকূল্যে বক্সনগর অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন। হাসনাবাদ গির্জার অধীন বক্সনগর এলাকাটি ১৮৪৪ খ্রিষ্টাব্দে বান্দুরা গোল্লা গির্জার আওতাভুক্ত হয়। বক্সনগরে প্রথম চ্যাপেল নির্মিত হয় ১৮৬০-এর দশকের কোন এক সময়ে। এরপর ঝড় ও অন্যান্য কারণে দু’বার নতুন করে চ্যাপেলটি নির্মিত হয়। অবশেষে ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ফেব্রয়ারি পুরানো পাকা গির্জাটি নির্মিত হয় এবং আশীর্বাদ করা হয়। বক্সনগর গির্জার প্রতিপালক হলেন পাদুয়ার সাধু আন্তনী। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই গির্জাঘরটি প্রাইমারী স্কুলরূপে ব্যবহৃত হতো। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে প্রচণ্ড ঘুর্ণিঝড়েরর তাণ্ডবে গোল্লা গির্জাটি যখন ভেঙ্গে পড়ে তখন বক্সনগরবাসীর মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বক্সনগরে নতুন গির্জাঘর তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয় আশির দশকে। ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে বক্সনগর নতুন গির্জার কাজ মহামান্য আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও আশীর্বাদের মাধ্যমে শুরু করেন এবং ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ অক্টোবর, শনিবার মহামান্য আর্চবিশপ পৌলিনুস কস্তা সাধু আন্তুনীর নামে নব নির্মিত গির্জা ঘরটি বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুভ উদ্বোধন ও আশীর্বাদ করেন।

Atharogram

GOLLA PARISH

        Name                   :     St. Francis Xavier’s Church (1844)         Address               :     Catholic Church, Golla                                           P.O. Gobindapur, Dhaka-1320         Parish Priest      :     Fr. Amol C. D’ Cruze         Mobile                 :     (+88) 01715-024132         E-mail                  :     amoldcruze25@gmail.com         Assistant            :     Fr. Ronald Gabriel Costa         Mobile                 :     (+88) 01731267495         Email                   :     ronaldcosta22@gmail.com         Catholics            :     3,424 (including Bakshanagar) গোল্লা ধর্মপল্লীর কাথলিকদের উৎপত্তি হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর লোকদের মত করেই। পদ্মা তীরবর্তী হরিকূল, লরিকূল, নারিশা, ইছামতি তীরস্থ ধাপারী এবং ভাওয়াল অঞ্চলের রাঙ্গামাটিয়া হতে বেশকিছু কাথলিক গোল্লা অঞ্চলে এসে বসতি করেন। তাই কলকাতা থেকে চট্রগ্রাম যাবার পথে ১৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর বিশপ অলিফ বান্দুরায় ধন্যা কুমারী মারীয়ার নির্মল হৃদয়ের গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। গোল্লাস্থ বর্তমান কনভেন্টের স্থানে ছিলো ফাদারের বাসগৃহ এবং ইছামতি নদীর কোল ঘেঁষে ছিলো ছনের গির্জা ও কবরস্থান। ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত বান্দুরা গির্জাটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে তারিখের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে ভেঙ্গে যায়। প্রথমে এ গির্জার নাম ছিলো ‘মারীয়ার নির্মল হৃদয়ের গির্জা’। কিন্তু কিছুদিন পরে এর নতুন নামকরণ ’সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ারের গির্জা’ করা হয়। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে বান্দুরা গির্জাটি আবারও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর পুনঃনির্মিত গির্জা আশীর্বাদিত হয়। পরবর্তীকালে গির্জার কাজ গোল্লায় স্থানান্তরিত হলে বান্দুরার গির্জা ভবনটি হলি ক্রস হাই স্কুলের জন্য ব্যবহৃত হতে থাকে। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে এ গির্জাটিও এক অগ্নিকাণ্ড ভষ্মীভূত হলে শীঘ্রই অন্য একটি গির্জা নির্মিত হয়।     ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ মার্চ বিকেলে এক ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে গোল্লার গির্জাঘরটি ভেঙ্গে যায়। তখন পালপুরোহিত ছিলেন ফাদার ডমিনিক ডি‘রোজারিও, সিএসসি। প্রচণ্ড ঘুর্ণিঝড়ে গির্জা ঘরের চাল উড়ে যায় এবং দু’পাশের দেয়াল ধ্বসে পড়ে। ছেলে ও মেয়েদের স্কুল দু‘টিও বিধ্বস্ত হয়। বেনেডিকশনের পর প্রার্থনারত ৩১ জন মহিলা ও দু‘জন বালক এতে প্রাণ হারায়। এই বিধ্বস্ত গির্জার বদলে ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর ক্রুশাকারে নতুন গির্জা ঘর সুন্দর স্থাপত্যশৈলিতে নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সাধ্বী থেকলার প্রাইমারী স্কুলটি আর্চবিশপ গ্রেনারের সমর্থনে ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ণাঙ্গ হাইস্কুলে পরিণত হয়। এই স্কুলটিই ছিলো আঠারোগ্রাম অঞ্চলের মেয়েদের প্রথম হাইস্কুল। গোল্লা ধর্মপল্লীর তিনজন বিশিষ্ট সন্তান হলেন বিশপ থিয়োটোনিয়াস গমেজ, সিএসসি, বিশপ লিনুস নির্মল গমেজ, এসজে ও আর্চবিশপ বিজয় ডি’ক্রুজ, ওএমআই।  সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার হলেন গোল্লা ধর্মপল্লীর প্রতিপালক। এখানে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা ৩৪২৪। BAKSHANAGAR CHURCH Read More

Parish

Gamasa

Gamasa Dhaka City Bhawal Atharogram JOYRAMBER CHURCH CENTRE SARADE CHURCH CENTRE RANGAMATIA PARISH TOOMILIA PARISH PAGAR PARISH

Parish

Dhaka City

KAFRUL PARISH LUXMIBAZAR PARISH MOHAMMADPUR PARISH MOUSHAIR PARISH (CHALABON): (2022) NARAYANGANJ PARISH RAMNA CATHEDRAL TEJGAON PARISH UTHALI PARISH (2018) VATARA QUASI PARISH

Parish

Bhawal

BHADUN PARISH DORIPARA PARISH MATHBARI PARISH MAUSAID PARISH NAGARI PARISH PAGAR PARISH RANGAMATIA PARISH TOOMILIA PARISH

Scroll to Top