Name : St. Joseph’s Church (1850)
Address : Catholic Church, Solepur
P. O. Hashara, Dist. Munshiganj-1553
Parish Priest : Fr. Lintu Francis D’Costa
Mobile : (+88) 017 8691 0109
E-mail : frlintu@gmail.com
Catholics : 3,400
শুলপুর, বড়ই হাজি ও মজিদপুর এই তিনটি গ্রাম নিয়েই শুলপুর ধর্মপল্লী। শুলপুর ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টানগণ আঠারোগ্রাম অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সাথে সমাজভুক্ত। পুরানো ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, সম্ভবতঃ ১৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে হুগলী থেকে পলায়মান ও ফরিদপুর জেলার লরিকূলে আশ্রয়গ্রহণকারী কাথলিকদের বংশধর শুলপুর ধর্মপল্লীর খ্রিষ্টভক্তগণ। ১৬৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দের সময়কালে প্রমত্তা পদ্মার ভাঙ্গনের শিকার হয়ে নদীর অপর পাড়ে নারিশা, ঝানকি, মালিকান্দা ইত্যাদি অঞ্চলে নতুন আবাস গড়ে তুলেন। কিন্তু সেখানেও পদ্মা নদীর আগ্রাসী ভাঙ্গনে জমা-জমি হারিয়ে একটা অংশ শুলপুর অঞ্চলে গিয়ে স্থায়ী বসতি গড়ে তুলেন। ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে শুলপুরে খালের ধারে বর্তমান কবরস্থানের মাঝখানে প্রথম গির্জা নির্মিত হয়।
১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাস থেকে শুলপুরের প্রথম আবাসিক যাজক ছিলেন ফাদার পল জে, ল্যাগাঁ, সিএসসি। এ গির্জা প্রথমে ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দের ঝড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এরপর ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে এ স্থান থেকে কিছু দূরে যাজক ভবনের কাছে নতুন গির্জা নির্মিত হয়। পুরাতন গির্জায় জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ও সময়ের দাবীতে এবং ধর্মবিশ্বাস প্রসারের সুফল লক্ষ্য করে আর্চবিশপ মাইকেল রোজারিও পুরনো গির্জাটি ভেঙ্গে একই স্থানে আধুনিক স্থাপত্যে নতুন গির্জা নির্মাণ করেন। ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে আর্চবিশপ লরেন্স গেই্রনারের উদ্যোগে শুলপুরে সিস্টারদের কনভেন্ট স্থাপিত হয় এবং সিস্টারগণ স্থায়ীভাবে থাকা শুরু করেন। ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে শুলপুরে প্রাইমারী স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে সেটা হাই স্কুলে রূপান্তরিত করা হয়। শুলপুর ধর্মপল্লীর বর্তমান কাথলিক জনসংখ্যা প্রায় ৩৪০০। গির্জার প্রতিপালক হলেন সাধু যোসেফ।
