GOLLA PARISH

        Name                   :     St. Francis Xavier’s Church (1844)

        Address               :     Catholic Church, Golla

                                          P.O. Gobindapur, Dhaka-1320

        Parish Priest      :     Fr. Amol C. D’ Cruze

        Mobile                 :     (+88) 01715-024132

        E-mail                  :     amoldcruze25@gmail.com

        Assistant            :     Fr. Ronald Gabriel Costa

        Mobile                 :     (+88) 01731267495

        Email                   :     ronaldcosta22@gmail.com

        Catholics            :     3,424 (including Bakshanagar)

গোল্লা ধর্মপল্লীর কাথলিকদের উৎপত্তি হাসনাবাদ ধর্মপল্লীর লোকদের মত করেই। পদ্মা তীরবর্তী হরিকূল, লরিকূল, নারিশা, ইছামতি তীরস্থ ধাপারী এবং ভাওয়াল অঞ্চলের রাঙ্গামাটিয়া হতে বেশকিছু কাথলিক গোল্লা অঞ্চলে এসে বসতি করেন। তাই কলকাতা থেকে চট্রগ্রাম যাবার পথে ১৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর বিশপ অলিফ বান্দুরায় ধন্যা কুমারী মারীয়ার নির্মল হৃদয়ের গির্জার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। গোল্লাস্থ বর্তমান কনভেন্টের স্থানে ছিলো ফাদারের বাসগৃহ এবং ইছামতি নদীর কোল ঘেঁষে ছিলো ছনের গির্জা ও কবরস্থান। ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত বান্দুরা গির্জাটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে তারিখের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে ভেঙ্গে যায়। প্রথমে এ গির্জার নাম ছিলো ‘মারীয়ার নির্মল হৃদয়ের গির্জা’। কিন্তু কিছুদিন পরে এর নতুন নামকরণ ’সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ারের গির্জা’ করা হয়।

১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে বান্দুরা গির্জাটি আবারও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর পুনঃনির্মিত গির্জা আশীর্বাদিত হয়। পরবর্তীকালে গির্জার কাজ গোল্লায় স্থানান্তরিত হলে বান্দুরার গির্জা ভবনটি হলি ক্রস হাই স্কুলের জন্য ব্যবহৃত হতে থাকে। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে এ গির্জাটিও এক অগ্নিকাণ্ড ভষ্মীভূত হলে শীঘ্রই অন্য একটি গির্জা নির্মিত হয়।    

১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ মার্চ বিকেলে এক ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে গোল্লার গির্জাঘরটি ভেঙ্গে যায়। তখন পালপুরোহিত ছিলেন ফাদার ডমিনিক ডি‘রোজারিও, সিএসসি। প্রচণ্ড ঘুর্ণিঝড়ে গির্জা ঘরের চাল উড়ে যায় এবং দু’পাশের দেয়াল ধ্বসে পড়ে। ছেলে ও মেয়েদের স্কুল দু‘টিও বিধ্বস্ত হয়। বেনেডিকশনের পর প্রার্থনারত ৩১ জন মহিলা ও দু‘জন বালক এতে প্রাণ হারায়। এই বিধ্বস্ত গির্জার বদলে ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর ক্রুশাকারে নতুন গির্জা ঘর সুন্দর স্থাপত্যশৈলিতে নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সাধ্বী থেকলার প্রাইমারী স্কুলটি আর্চবিশপ গ্রেনারের সমর্থনে ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ণাঙ্গ হাইস্কুলে পরিণত হয়। এই স্কুলটিই ছিলো আঠারোগ্রাম অঞ্চলের মেয়েদের প্রথম হাইস্কুল। গোল্লা ধর্মপল্লীর তিনজন বিশিষ্ট সন্তান হলেন বিশপ থিয়োটোনিয়াস গমেজ, সিএসসি, বিশপ লিনুস নির্মল গমেজ, এসজে ও আর্চবিশপ বিজয় ডি’ক্রুজ, ওএমআই।  সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার হলেন গোল্লা ধর্মপল্লীর প্রতিপালক। এখানে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা ৩৪২৪।

Scroll to Top