NAGARI PARISH

        Name                   :     St. Nicholas of Tolentino Church (1695)

        Address               :     Catholic Church, Nagari

                                            P.O. Nagari, Dist. Gazipur-1463

        Tel.                        :     (00 88 06823) 51954-6

        Parish Priest        :     Fr. Khokon V. Gomes

        Mobile                  :     (+88) 017 1215 3839

        E-mail                   :     fr.vincentg67@gmail.com

        Assistant             :     Fr. Biswajit Barnard Borman

        Mobile                  :     (+88) 01317423003

        Email                    :     biswajitbormonab@gmail.com

        Catholics             :     8,287                                                         

নাগরী ধর্মপল্লীটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। নাগরীর খ্রিষ্টবিশ্বাসের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। গাজীপুর জেলায় নাগরীতেই প্রথম খ্রিষ্টধর্মের আগমন ঘটে। তাই নাগরী ধর্মপল্লীতে খ্রিষ্টানদের বসবাস তিনশ পঞ্চাশ বছরেরও বেশি হবে। ১৬৯৫ খ্রিষ্টাব্দের অনেক আগে থেকেও এখানে খ্রিষ্টানদের বসবাস শুরু হয় এবং সতের শতকের শেষভাগে যথেষ্ট খ্রিষ্টান এখানে বাস করতেন। সে সময় পর্তুগীজ মিশনারীগণ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় খ্রিষ্টধর্ম প্রসার ও খ্রিষ্টভক্তদের যত্ন নিতে থাকেন। পর্তুগীজ বণিকগণ এ অঞ্চলে বিভিন্ন পণ্য, বিশেষ করে মসলা সন্ধানে এসেছিলেন যেন ইউরোপে নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারের সুবিধার্থে তারা বিভিন্ন জায়গায় স্থায়ী উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন যা কালক্রমে জমিদারিতে পরিণত হয়। গোয়ায় বৃহত্তর উপনিবেশ স্থাপিত হওয়ার পর পর্তুগীজ বণিকদের সঙ্গে মিশনারীগণও আসেন। সেইসব মিশনারীদের কর্মতৎপরতায় ১৬৬৫ খ্রিষ্টাব্দে নাগরী ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য যে, নাগরী গির্জার সম্মুখভাগে এর নির্মাণকাল হিসাবে ‘১৬৬৩’ উল্লেখ আছে। ১৬৬৩ খ্রিষ্টাব্দের উল্লেখ এটি অনুমান করা হয় যে, এ বছরটি হয়তো নাগরীতে আগত কোষাভাঙ্গার কাথলিকদের উৎপত্তির বছর বা  কোষাভাঙ্গার গির্জা নির্মাণের খ্রিষ্টাব্দ। যেহেতু উক্ত অঞ্চলের লোক এখানে বসতি করেছেন, সেহেতু তারা তাদের উৎপত্তি বা কোষাভাঙ্গার প্রথম গির্জার নির্মাণ খ্রিষ্টাব্দটি নাগরীতেও অক্ষুণ রাখতে চেয়েছেন। নাগরী পুরাতন ইটের গির্জাটি ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। নাগরী গির্জা প্রতিষ্ঠার কিছুকাল পর পার্শ্ববর্তী পাঞ্জোরা গ্রামে আরেকটি গির্জা (চ্যাপেল) গড়ে উঠেছে।

১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ফেব্রয়ারি মাইলাপুরের বিশপ থিওটোনিও ডি’কস্তা, তাঁর প্রথম নাগরী সফরের সময় পাঞ্জোরা গির্জা পুনঃনির্মাণ করেন। এ সময় একটি কনভেন্ট নির্মাণ করা হয়। ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মাদ্রাজ হতে সিস্টারগণ পাঞ্জোরায় প্রথম আসেন এবং তারা খ্রিষ্টবাণী প্রচার করেন।  এ সময় পাঞ্জোরাতে মেয়েদের জন্য একটি স্কুল নির্মাণ করা হয়। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার সারটোরিও নাগরীর পালপুরোহিত ছিলেন। ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে নাগরীতে ছেলেদের জন্য জমিদার ফাদারগণ সেন্ট নিকোলাস হাইস্কুল স্থাপন করেন। ইটের গাথা জরাজীর্ণ পুরাতন গির্জাটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এবং ভক্তদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পালপুরোহিত ফাদার ডেভিড শ্যামল গমেজ একটি বড় ও সুদৃশ্য নতুন গির্জা তৈরি করেন। টলেন্টিনুর সাধু নিকোলাস হলেন নাগরী ধর্মপল্লীর প্রতিপালক। নাগরী ধর্মপল্লীতে বর্তমান খ্রিষ্টভক্তগণের সংখ্যা প্রায় ৮,২৮৭ জন। পারারটেক নাগরী ধর্মপল্লীর একটি সাব সেন্টার। বর্তমানে সালেসিয়ান সিস্টারগণ সেখানে স্থায়ীভাবে থেকে ফাদারদের সঙ্গে পালকীয় কাজে সহায়তা করেন।

Scroll to Top