Name : Church of Lord Jesus (2018)
Address : Vill-Pagar, P.O. Tongi, Dist- Gazipur
Parish Priest : Fr. Jyoti F. Costa
Mobile : (+88) 01715327029
E-mail : frjfcosta@yahoo.com
Catholics : 1,444
পাগার প্রথমে ছিলো ছোট একটি গ্রাম। কিছু পরিবার এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। ঢাকা শহরের খুব কাছে হওয়ায় এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় ধীরে ধীরে পাগারে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে ভাওয়াল অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসে পাগারে বসবাস শুরু করেন। শুধুমাত্র ভাওয়ালের অন্যান্য মিশন থেকেই নয় ঢাকার তেজগাঁও, বরিশাল, আঠারগ্রাম ইত্যাদি অঞ্চল থেকে খ্রিষ্টানগণ পাগার গ্রামে এসে জমিজমা কিনে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। শুরু থেকেই মাউসাইদ ধর্মপল্লীর ফাদারগণ পাগার খ্রিষ্টভক্তদের যত্ন নিতেন ও আধ্যাত্মিকভাবে পরিচর্যা দান করতেন।
পাগারের খ্রিষ্টভক্তগণ সবসময়ে মাউছাইদ ধর্মপল্লীর সাথে সংযুক্ত থাকতে পছন্দ করতেন। রবিবাসরীয় খ্রিষ্টযাগে তারা নিয়মিতভাবে মাউসাইদই আসতেন। মাউসাইদ ধর্মপল্লীর সাথে যুক্ত থাকতে তাদের একটিই বাঁধা ছিল, আর তা হলো তুরাগ নদী। মউসাইদে আসতে হলে তাদেরকে খেয়া নৌকা যোগে নদী পাড় হয়ে আসতে হতো। কিন্তু নদী পারাপারটা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন হওয়ায় পাগারে একটি নতুন গির্জা নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
ফাদার বিল ম্যাকেনটাইয়ার পালপুরোহিত থাকাকালীন সময়ে প্রতি শনিবার বিকালে সূর্যোদয় স্কুল ঘরেই রোববারের খ্রিষ্টযাগ নিয়মিতভাবে উৎসর্গ করা হতো। ফাদার তপন কামিলুস ডি’রোজারিও ও জার্মান যাজক কার্ল এডেলম্যানের সহযোগিতায় বর্তমান গির্জা নির্মিত হয়। এতে অবশ্য বিশ্বাস বিস্তার সংস্থা ও স্থানীয় লোকদের সংগৃহীত অর্থ ছিল। কার্ডিনাল প্যাট্রিকের সময়ে ফাদারদের থাকার জন্য সুন্দর দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি‘রোজারিও পাগারকে পূর্ণাঙ্গ ধর্মপল্লী হিসেবে ঘোষণা করেন। পাগার ধর্মপল্লীটি ‘প্রভু যীশুর গির্জা’ নামে পরিচিত। এখানে বর্তমানে খ্রিষ্টভক্তদের সংখ্যা ১,৪৪৪ জন।
