News

News

ঢাকার আর্চবিশপ হাউজে রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে বড়দিন পুনর্মিলনী

ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের মহামান্য আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ওএমআই এর উদ্যোগে ও আর্চবিশপ হাউজের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে অবস্থানরত কিছু দেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে গত শনিবার (১৭/১/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ) সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে আর্চবিশপ হাউজের হল রুমে বড়দিন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ইণ্ডিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ভাটিকান সিটি, আর্জেন্টিনা, কানাডার রাষ্ট্রদূত অথবা হাই কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তাদের কারো কারো সাথে তাদের স্ত্রী/স্বামী উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার পর থেকেই রাষ্ট্রদূতগণ আচবিশপস্ হাউজে আসা শুরু করলে বিশপ, ফাদার, ব্রাদার ও সিস্টারগণ তাদেরকে মূল গেইট থেকে বরণ করে নেন। সন্ধা ৬:৪০ মিনিট থেকে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বিশপ সুব্রত বি গমেজের সঞ্চালনায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। প্রথমেই রমনা সেন্ট যোসেফ সেমিনারীর সেমিনারীয়ানগণ ইংরেজি ও বাংলায় মনোমুগ্ধকর কীর্তন পরিবেশন করে। তাদের সাথে উপস্থিত অতিথিদের কেউ কেউ তাল মেলান। এরপর প্রত্যেকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পর্ব না থাকলেও ‍উপস্থিত অতিথিবৃন্দ পরস্পরের সাথে আলাপচারিতায় সময় ব্যয় করেন। উল্লেখ্য ঢাকা শহরে মণ্ডলী পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজের প্রধানগণ এবং আর্চবিশপ হাউজে অবস্থানরত বিশপ, ফাদার ও সিস্টারগণ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি অতিথিদের সাথে বাংলাদেশে খ্রিস্টমণ্ডলী কিভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে তা সংক্ষেপে তুলে ধরেন। বিশেষভাবে শিক্ষাসেবা, দীন-দরিদ্র ও অসুস্থদের সাথে একাত্ম হয়ে তাদের যত্ন দান করা এবং জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা তুলে ধরেন। শিক্ষাসেবায় নিবেদিত হয়ে ৭৫ কিংবা ৫০ বছরের জুবিলী পালন শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ মণ্ডলীর অঙ্গীকারের কথাই ব্যক্ত করে। তবে তিনি একই সাথে বর্তমানের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন। বিশেষভাবে বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে হুমকি দান অন্যান্য সমস্যাসমূহ। তবে ভালো কাজে অনেকের সহায়তা লাভ করার কথাও তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ দেন। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে মহামান্য আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে, এই ব্যস্ত সময়ে সময় বের করে তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বিশেষ ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন আমেরিকান রাষ্ট্রদূতকে। কেননা তিনি সবেমাত্র রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং প্রথমবারের মতো আর্চবিশপ ভবনে এসেছেন। আর্চবিশপের বক্তব্যের পরপরই সকলে রাতের খাবার গ্রহণ করেন ও আলোচনা চালিয়ে যান। আর্চবিশপ হাউজে সংরক্ষিত অতিথি উপস্থিতির নির্দিষ্ট খাতায় অতিথিগণ তাদের অনুভূতি ও মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। অনেকটা ঘরোয়া পরিবেশে রাষ্ট্রদূতগণ ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ সময় কাটান। বাংলাদেশে নবনিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট খ্রিস্টেনসান বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবেই আর্চবিশপ ভবনেই তাঁর প্রথম সফর। খাওয়া-দাওয়ার পর ফটোসেশন পর্ব চলে এবং পারস্পরিক ধন্যবাদের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সবমিলিয়ে মোট ৫০জন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

News

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঢাকার মহামান্য আর্চবিশপের শোক প্রকাশ

তারিখঃ ০১.০১.২০২৬ খ্রিস্টাব্দ প্রেস বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা খ্রিস্টান সমাজ গভীর শোক ও বেদনা প্রকাশ করছি। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক অভিজ্ঞ দূরদর্শি রাষ্ট্রনেতাকে হারাল। এই বেদনাময় ও কষ্টদায়ক সময়ে আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। খ্রিস্টীয় বিশ্বাস অনুযায়ী আমরা প্রার্থনা করি—প্রভু যেন তাঁকে তাঁর অনন্ত বিশ্রামে স্থান দেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও অনুসারীদের হৃদয়ে শান্তি ও সান্ত্বনা দান করেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনেত্রী হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মত ও পথের ভিন্নতা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা, সাহসী ও আপোসহীন নেত্রী। দেশ ও দেশের মাটির প্রতি ভালোবাসা, অন্যকে সম্মান দান এবং দরিদ্রদের প্রতি বিশেষ দরদবোধ তাঁকে অনন্য করে রাখবে। মাননীয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী শোকে স্তব্ধ। এই শোকের সময়ে আমরা খ্রিস্টান সমাজও দেশবাসীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং প্রার্থনায় বলছি— ‘প্রভু, আমাদের দেশকে শক্তি ও শান্তি দাও, শোককে আশায় রূপান্তর করো।’ ঈশ্বর আমাদের সকলকে এই গভীর শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন। আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ ক্রুজ, ওএমআইআর্চবিশপ, ঢাকা আর্চডায়োসিসসভাপতি, বাংলাদেশ কাথলিক বিশপ সম্মিলনী

Events, News

বড়দিন উপলক্ষে মহামান্য আর্চবিশপ মহোদয়ের বাণী

বিশপদের ষোড়শ সিনডের চূড়ান্ত দলিল প্রকাশিত হয়েছে। এই সিনডাল যাত্রাতে (২০২১-২০২৪) মণ্ডলী নিজে পবিত্র আত্মার আলোকে আলোকিত হয়ে আহূত হয়েছে তাদের যাপিত খ্রিস্টীয় জীবন পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে নবায়নের জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; যাতে মাণ্ডলিক মিলন ও একতাকে আরও গভীর করা যায় এবং অংশগ্রহণকে ব্যাপক ও শক্তিশালী করে যিশু প্রদত্ত মিশন কাজকে আরও শক্তিশালী করা যায়। এই দলিল গুরুত্ব আরোপ করে যে, মণ্ডলী হলো বিশ্বাসী জনগণ, একটি মিলন-বন্ধন যা গঠিত হয় সত্যিকারের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ প্রেমের মধ্য দিয়ে, এটা একটা আমলাতান্ত্রিক সংগঠন নয়। আমাদের মধ্যে রয়েছে বিশ্বাস ও ভালবাসার একটা বন্ধন। মণ্ডলী হলো ঈশ্বরের একটি পরিবার, অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ গৃহ, যেখানে সবার স্থান রয়েছে। আমাদের এই মিলন বন্ধন শক্তিশালী হয় খ্রিস্টযাগ ও খ্রিস্টপ্রসাদ গ্রহণ করে এবং প্রভুর বাণী শ্রবণ ও পালনের মধ্য দিয়ে। মঙ্গলসমাচারে বর্ণিত সাধু পিতর ও তাঁর সঙ্গীদের তিবেরীয় সাগরে মাছ ধরার ঘটনাকে পটভূমি হিসাবে ব্যবহার করে  এই দলিল আমাদেরকে একটা ইঙ্গিত প্রদান করে যে, জাল একে অপরের সাথে একটা বন্ধনে আবদ্ধ। যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আমাদের মিশন কাজকে সার্থক করার জন্য বন্ধন, একাত্মতা, সাহায্য ও সহযোগিতা প্রয়োজন। মঙ্গলবাণী ও খ্রিস্টাদর্শ প্রচারের জন্য প্রয়োজন একাত্মতা, বোঝাপড়া, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা। এই সিনড্ আমাদের সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে যেন আমরা পবিত্র আত্মার প্রতি উন্মুক্ত হই, তাঁর কথা শুনি এবং নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক নবায়নের মধ্য দিয়ে মন পরিবর্তন করি। আমাদের যাত্রা হোক “আমি” থেকে “আমরা” হওয়াতে। এই মনপরিবর্তনের পদ্ধতিতে রয়েছে সুশাসন, দায়বদ্ধতা এবং স্বচ্ছতা। সবার কল্যাণের জন্য মাণ্ডলিক অবধারণ (সিদ্ধান্ত) প্রক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত কতকগুলো নিয়ম-নীতির উপর দাঁড়িয়ে আছে: অন্যের কথা শুনা, প্রার্থনা, সংলাপ, বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের উপর। পুনরুত্থিত খ্রিস্ট শিষ্যদের ফুঁ দিয়ে যখন পবিত্র আত্মাকে প্রদান করেছিলেন তখনই নতুন সৃষ্টির সূচনা হয়েছে – মিশনারী মণ্ডলীর জন্ম হয়েছে। সিনডাল শিক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য এসো আমরা সক্রিয়ভাবে মাণ্ডলিক জীবনে ও মিশন কাজে অংশগ্রহণ করি, অন্যকে অংশগ্রহণ করতে সুযোগ করে দেই, বিশেষ করে নারী এবং যুবাদের – মিলন-একাত্মতা, অন্যের যত্ন, ভ্রাতৃত্ব ও দরদ-ভালবাসা  চর্চা করি বিশেষ করে দরিদ্রদের প্রতি। আমরা এ বছর যিশু খ্রিস্টের ২০২৫ বছরের জন্ম-জুবিলীবর্ষ পালন করেছি। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি পোপ ফ্রান্সিসের ঐতিহাসিক অবদানের কথা। তিনি সমগ্র মণ্ডলীকে আহ্বান জানিয়েছিলেন যাতে আমরা এ জগতে আশার তীর্থ যাত্রী হয়ে উঠি।  আমরা সবাই এ জগতে তীর্থযাত্রী। আশা আমাদের পথ দেখায়, এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগায়, আশা মানুষকে সঞ্জিবিত রেখে স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখে। আশা আমাদের জীবনকে রূপান্তরিত ও সক্ষম করে, যাতে আমরা হতাশা নিরাশার অন্ধকারের মধ্যে ঈশ্বরের ভালবাসার দ্যুতি ছড়াতে পারি। আসুন আমরা হয়ে উঠি আশার জীবন্ত সাক্ষ্য ও বাতিঘর। প্রভু যিশুর জন্মতিথি আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বয়ে আনুক গভীর আনন্দ, মিলন, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তি। সবাইকে বড়দিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং নববর্ষ উপলক্ষে রইলো অনেক অনেক শুভ কামনা। আর্চবিশপ বিজয় এন. ডি’ক্রুজ ওএমআই আর্চবিশপ, ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ সভাপতি, বাংলাদেশ কাথলিক বিশপ সম্মিলনী

News

তেজগাঁও ধর্মপল্লীতে আঞ্চলিকভাবে পরিবারে মিলন, শান্তি ও ভালবাসার জুবিলী উৎসব

গত ১১ জুলাই, শুক্রবার, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তেজগাঁও ধর্মপল্লীতে ঢাকা মহানগরের ১০টি ধর্মপল্লী একত্রিতভাবে উৎসবময়তার মধ্য দিয়ে পালিত হলো পরিবারে মিলন, শান্তি ও ভালবাসার জুবিলী উৎসব। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল ঢাকা মহনগর আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদ এবং ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ পরিবার কল্যাণ পরিষদ। এই জুবিলী শিক্ষা সন্মেলনের মূলভাব ছিল- পরিবর্তিত বিশ্বে আশাময় সমাজ বিনির্মাণে মানব পরিবার। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে ফাদার, ব্রাদার, সিস্টারগণ সহ ৭০০ খ্রিষ্টভক্ত অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তেজগাঁও গির্জার বাইরে মহামান্য কার্ডিনাল এক গুচ্ছ বেলুন উড়িয়ে জুবিলী সন্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন। বেলুন উড়ানোর পরপরই নৃত্যের মেয়েরা নৃত্য পরিবেশন করে এবং নৃত্যের পর শোভাযাত্রা করে গির্জা ঘরে প্রবেশ করা হয়। অর্থপূর্ণ প্রার্থনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মূল পর্ব শুরু হয়। পরে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্থানীয় পাল পুরোহিত ফাদার জয়ন্ত এস গমেজ, ঢাকা মহানগর পালকীয় পরিষদের চেয়ারম্যান ফাদার আলবাট রোজারিও, পরিবার কল্যাণ পরিষদের চেয়ারম্যান ফাদার তুষার গমেজ এবং পরিবারের পক্ষে হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান প্রতাপ আগষ্টিন গমেজ। তারা বলেন, আমাদের পরিবারগুলোকে আরো পবিত্র, স্বাস্থ্যপ্রদ, সুখী, গতিশীল ও আনন্দদায়ক রূপে গড়ে তুলতে হবে।  শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরই মূল বিষয়ের উপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন ফাদার মিন্টু লরেন্স পালমা। তিনি বলেন, ঈশ্বর আদম-হবার মধ্য দিয়ে আমাদের পরিবাগুলোর জন্য একটা ঐশ পরিকল্পনা করেছেন। কিন্ত পরিবর্তিত বিশ্বে আমাদের পরিবারগুলো সেই পরিকল্পনা থেকে বের হয়ে এসেছে। তিনি উপস্থিত সবাইকে আহ্বান করেন আমাদের পরিবারগুলো যেন সেই পরিকল্পনা মধ্যেই থাকে। এরপর চা বিরতি দিয়ে পবিত্র সাক্রামেন্তের আরাধনা ও ব্যক্তিগত পাপস্বীকার হয় এবং শেষে পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন মহামান্য কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, সিএসসি। খ্রিষ্টযাগের উপদেশে তিনি পরিবারে উপর সুন্দর উপদেশ বাণী রাখেন। তিনি বলেন, মহান জুবিলী বর্ষে পরিবারকে নিয়ে এই জুবিলী করা হচ্ছে। আজকে আপনারা যারা এখানে এসেছেন তারা অনেক অনেক ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ করবেন। আপনারা আপনাদের পারিবারিক জীবন সুন্দর রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমাদের জন্য আশার বিষয় প্রভু যিশু আমাদের সমস্ত পরিবারের জন্য প্রার্থনা করেন। পরিবারে তোমরা যেন এক হতে পার। কারণ এতেই পরিবারের গৌরব ও কল্যাণ। শেষে দুপুরের আহারের মধ্য দিয়ে অর্ধ দিবসব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।  

News

‘ডিজিটাল মিশনারী: আশা ও সত্যের সাক্ষী’ বিষয়ক সারাদিনব্যাপী মিডিয়া সেমিনার

ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের সামাজিক যোগাযোগ কমিশনের আয়োজনে গত ২৬ জুলাই ভাটারা ধর্মপল্লীতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ধর্মপল্লীর যুবক-যুবতীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী মিডিয়া সেমিনার। সেমিনারের মূলসুর ছিল:“ডিজিটাল মিশনারী : ডিজিটাল বিশ্বে আশা ও সত্যের সাক্ষী হওয়া”। স্বাগতিক ধর্মপল্লীর যুবক-যুবতীরা প্রার্থনার মধ্যদিয়ে সেমিনারের সূচনা করেন।ভাটারা ঐশ করুণা ধর্মপল্লীর সহকারী পাল পুরোহিত ফাদার শিশির কোড়াইয়া প্রথমেই সবাইকে স্বাগত জানান। কমিশনের আহ্বায়ক, খ্রীষ্টীয় যোগাযোগ কেন্দ্রের পরিচালক ও সাপ্তাহিক প্রতিবেশী’র সম্পাদক ফাদার বুলবুল আগষ্টিন রিবেরু শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন।    “ডিজিটাল মিশনারী : ডিজিটাল বিশ্বে আশা ও সত্যের সাক্ষী হওয়া”- এ বিষয়ে মূলবক্তব্য উপস্থাপন করেন কাফরুল ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার জ্যোতি এফ কস্তা। ডিজিটাল যুগে মণ্ডলীর একজন খ্রিষ্টভক্ত হিসেবে আমরা কিভাবে বাণী প্রচার করতে পারি, কিভাবে পারিবারিক জীবনে তা কাজে লাগাতে পারি, বিশ্বাস-আশা ও ভালোবাসার আলোকে মিডিয়া ব্যবহারের দিকনির্দেশনাবলী, ফেইক নিউজ চেনার উপায়-ফ্যাক্টচেকিং, কপিরাইট সম্পর্কিত আলোচনা ও কনটেন্ট কিভাবে তৈরী করা হয়-এ সকল বিষয়গুলো নিয়ে বিশদ বক্তব্য বক্তাগণ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। মূল বক্তব্য শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে বিষয়ভিত্তিক প্যানেল আলোচনা হয়। প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করেন ডিসি নিউজের ইনচার্জ রবীন ভাবুক, ডিজিটাল অনলাইন ‘টেক-ভয়েস২৪’ এর প্রধান উজ্জ্বল এ গমেজ, আনন্দবার্তা মিডিয়ার মডারেটর নিউটন মন্ডল ও ঈশিতা ক্লারা গমেজ। সেমিনার শেষ পর্যায়ে পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করা হয়। খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার বুলবুল এ রিবেরু, ফাদার জ্যোতি এফ কস্তা ও ফাদার শিশির কোড়াইয়া। খ্রিস্টযাগের উপদেশে ফাদার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে যুবক-যুবতীদের ভার্চুয়াল জগতে আশা ও সত্যের সাক্ষী হওয়ার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার করার লক্ষ্যেই এই সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। তাই আমরা যেন খ্রিস্টীয় ভাব বজায় রেখে ডিজিটাল মিডিয়াতে উপস্থিত থাকতে পারি এবং ধীরে ধীরে ডিজিটাল পাল্টফর্মকে আরো বেশি জীবন উপযোগী করতে পারি।   অনুষ্ঠানে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ধর্মপল্লীর প্রায় ষাট জন যুবক-যুবতীগণ অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন যোগাযোগ কমিশনের সদস্য সাগর এস কোড়াইয়া ও লাকী ফ্লোরেন্স কোড়াইয়া। অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও সিননিস বাংলাদেশ। সংবাদদাতা: নিজস্ব প্রতিনিধি ছবি: সাগর সঞ্জীব কোড়াইয়ার সৌজন্যে

News

যীশু নামজপ প্রার্থনা দলের মহাসম্মেলন – ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ, গোল্লা ধর্মপল্লী

নিজস্ব প্রতিবেদক: যীশু নামজপ প্রার্থনা দলের আয়োজনে বিগত ১৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ, রোজ শুক্রবার, গোল্লা ধর্মপল্লীতে যীশু নামজপ প্রার্থনাদলের মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন – ফাদার স্ট্যানলী কস্তা, আহ্বায়ক, যীশু নামজপ প্রার্থনা দল, ফাদার গাব্রিয়েল কোড়াইয়া, পাল-পুরোহিত, গোল্লা ধর্মপল্লী, ফাদার পিটার শ্যানেল গমেজ, ফাদার সনি মার্টিন রড্রিক্স, ফাদার তুষার জেভিয়ার কস্তা, ফাদার কল্লোল লরেন্স রোজারিও, ফাদার রিগ্যান পিউস কস্তা, শ্রদ্ধেয়া ডোরা ডি’রোজারিও, সিস্টার মেরী সুধা, এসএমআরএসহ আঠারোগ্রাম অঞ্চলের তুইতাল, সোনাবাজু, হাসনাবাদ, ইক্রাশী, বক্সনগর, গোল্লা থেকে সর্বমোট প্রায় ৩৫০ জন। সম্মেলনের মূলসুর হল “খ্রিষ্টিয় জীবনের উৎস ও চরম প্রকাশ হল খ্রিষ্টযাগ”। উদ্বোধনী প্রার্থনা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। খ্রিষ্টযাগ ও খ্রিষ্টপ্রসাদীয় আধ্যাত্মিকতার উপর প্রথম উপস্থাপনা করেন ফাদার পিটার শ্যানেল গমেজ। টিফিনের পর খ্রিষ্টপ্রসাদীয় আরাধনা ও শোভাযাত্রার উপর উপস্থাপন করেন ফাদার গাব্রিয়েল কোড়াইয়া। এরপর কয়েকজন যীশু নামের শক্তি ও আশ্চর্য ফলাফল নিয়ে জীবন সহভাগিতা করেন। রমনা সেমিনারীয়ান ও ফাদার সনি রড্রিক্স এর পরিচালনায় সাক্রামেন্তীয় আরাধনায় সকলে অংশগ্রহণ করে। দুপুরের আহার গ্রহণের পর যীশু নামজপ প্রার্থনা দলের সবাই প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন। যীশু নামের শক্তির বিষয়ে সহভাগিতা কেেরন ডোরা দি এবং অনেকে সাক্ষ্য প্রদান করেন। পরিশেষে অন্যান্য ফাদারের উপস্থিতিসহ ফাদার স্ট্যানলী কস্তা সকলের উদ্দেশ্যে পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন। খিষ্টযাগের পর একত্রে যীশু নামে কীর্তন পরিবেশনা করা হয়। সমগ্র মহাসম্মেলনটি পরিচালনা, সমন্বয়ে ও উপস্থাপনায় ছিলেন নুপুর গমেজ। সকলের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে এই সম্মেলনটি ছিল প্রার্থনাপূর্ণ, ভাবগাম্ভির্যপূর্ণ ও আনন্দপূর্ণ। প্রভু যীশুর দয়ায় এই সম্মেলনটি সাফল্যমণ্ডিত ও আশীবার্দপূর্ণ ছিল।

News

জুবিলী বর্ষে আঠারোগ্রাম আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ অভিবাসী বিষয়ক সেমিনার – ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

ফাদার রিগ্যান পিউস কস্তা: জুবিলী বর্ষে আঠারোগ্রাম আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের আয়োজনে ও ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় ন্যায় ও শান্তি কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় বিগত ১৯ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ, রোজ শনিবার, শুলপুর ধর্মপল্লীতে অভ্যন্তরীণ অভিবাসী বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।  সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন –  ফাদার অজিত ভিক্টর কস্তা, ওএমআই, ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় ন্যায় ও শান্তি কমিটির পক্ষে, আঠারোগ্রাম অঞ্চলের কয়েকজন ফাদার, সিস্টার, শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিবাসীসহ প্রায় ১৩৫ জন।  সেমিনারের মূলসুর: “আশাময় ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আমাদের তীর্থযাত্রা” এর উপর ভিত্তি করে মূল সহভাগিতা ও খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন  ফাদার অজিত ভিক্টর কস্তা, ওএমআই। তিনি সহভাগিতায় বাইবেলের পুরাতন নিয়ম ও নতুন নিয়মে অভিবাসীর চিত্র ও পাশাপাশি মণ্ডলীতে অভিবাসীদের অবদান ও কার্যক্রমের বিষয়গুলো এবং উনার ব্যক্তিগত যাত্রায় অভিবাসীদের সাথে অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেন। সকলের টিফিন গ্রহণ শেষে অভিবাসীরা দলভিত্তিক আলোচনা করেন। দলভিত্তিক আলোচনায় বিভিন্ন প্রশ্নের আলোকে তারা তাদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন। তাদের আলোচনার প্রেক্ষিতে আঠারোগ্রাম আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের পক্ষে মি. টমাস রোজারিও ও মি. প্রভাত পিটার গমেজ অভিজ্ঞতা সহভাগিতা করেন। আলোচনা শেষে সকলের অংশগ্রহণে পবিত্র খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করা হয়। এই অভিবাসী সেমিনারে প্রায় ২৫ জন শিশু উপস্থিত ছিল যাদেরকে খ্রিষ্টযাগ শেষে উপহার প্রদান করা হয়। আঠারোগ্রাম আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদ ও ধর্মপল্লীর পক্ষে শ্রদ্ধেয় ফাদার কমল কোড়াইয়া, পাল-পুরোহিত, শুলপুর ধর্মপল্লী, সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দুপুরের খাদ্যের ব্যবস্থাপনাসহ আনুসঙ্গিক বিষয়ে ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় ন্যায় ও শান্তি কমিটি সাার্বিক সহযোগিতা করে। এই সেমিনারে সকলের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ ছিল আনন্দপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও আশাপূর্ণ। জুবিলী বর্ষে আশার তীর্থযাত্রীরূপে সকল অভিবাসী বিশ্বাসের জীবনে মুক্তিদাতা যীশুর সাথে পথ চলার মধ্য দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এগিয়ে যাওয়া অনুপ্রেরণা ও তাদের প্রতি মণ্ডলীর ভালবাসা তারা উপলব্ধি করেছে।

News

ঢাকা শহরে কর্মরত বিউটিসিয়ানদের জন্য প্রায়শ্চিত্তকালীন প্রস্তুতি সেমিনার

ফাদার আলবাট রোজারিও: গত ১১ মার্চ ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশীয় যুব কমিশনের আয়োজনে ও ঢাকা মহানগর আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের সহযোগিতায় তেজগাঁও চার্চ কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা শহরে বিউটি পার্লারে কর্মরত মেয়েদের জন্য জুবিলী বর্ষ ও পাস্কা পর্বের প্রস্তুতিমূলক শিক্ষা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ১৫০ জন বিউটিসিয়ান অংশগ্রহণ করে। সেমিনারের মূলসুর ছিল- “জুবিলী বর্ষ ও প্রায়শ্চিত্তকালের ডাক, পিতার কাছে ফিরে আসার আহ্বান। প্রথমে উদ্বোধনী প্রার্থনা করা হয় এবং একই সঙ্গে পাপস্বীকার শোনা হয়। এরপরেই কয়েকজন গুণী ব্যক্তি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে ছিলেন- খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট জন গমেজ, ট্রাস্টি মৃগেন হাগিদক, সিডিআই-এর পরিচালক থিওফিল নিশারন নকরেক, ফাদার বিমল ও ফাদার আলবাট এবং স্বপ্না সহ দুইজন বিউটিশিয়ান। তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের মেয়েরা পার্লার বা কল-কারখানায় কাজ করছে। আমরা যেন এইসব মেয়েদের পালকীয় যত্নে আরো যত্নবান হই। বিউটিশিয়ানগণ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। যেমন- নিরাপদ চলাচল ও পরিবেশের ব্যবস্থা করা, একটা হেলপ লাইনের ব্যবস্থা রাখা যেখানে গিয়ে মেয়েরা তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা বলার সুযোগ পাবে এবং সার্বক্ষণিকভাবে একজন সিস্টারকে তাদের জন্য দেওয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষ হলে টিফিনের জন্য সামান্য বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। এ পর্বে ঢাকার যুব কমিশনের আহবায়ক ফাদার প্রলয় ক্রূস মুলসুরের উপর অনেক প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপনা রাখেন। এরপর পবিত্র খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন তেজগাঁও ধর্মপল্লীর পালক পুরোহিত ফাদার জয়ন্ত এস গমেজ। তাকে সহায়তা করেন ফাদার লেণার্ড, ফাদার প্রলয় ও ফাদার আলবাট। খ্রিস্টযাগের উপদেশে ফাদার বলেন, তোমরা যেমন একজন মানুষকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে দাও ঠিক একইভাবে নিজেদের অন্তরটাকেও সাজাতে হবে। শেষে দুপুরের আহারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

News

Request to declare Easter Sunday a public holiday.

17 October, 2024 Dr. Muhammad Yunus The Honorable Chief Adviser of the People’s Republic of Bangladesh Subject: Request to declare Easter Sunday a public holiday. Your Excellency, Greetings from the United Forum of Churches, Bangladesh (UFCB), an alliance of all the Churches existing in Bangladesh! We, the Christians of Bangladesh would like to cordially congratulate you on becoming the Chief Adviser of the People’s Republic of Bangladesh, and we express our deep gratitude to you for taking this important role during the crisis period of Bangladesh. Please be assured of our prayers for all the success of you and your Government. We beg to bring your kind notice that the Easter Sunday, on which we celebrate the triumph of Our Lord Jesus Christ over sin and death, is one of the most significant celebrations in the Christendom. The feast falls on the first Sunday after the full Moon that occurs on or after the spring equinox. (If the full Moon falls on a Sunday then Easter is the next Sunday). Unfortunately, this day of immense importance for Christians is not counted as government holiday despite repeated requests to the previous governments of Bangladesh. As a result, many Christians cannot attend the Church-services and the Holy Mass and thus fail to fulfill religious obligations and appease spiritual thirst. Moreover, some exams often fall on this day and the Christian students feel distressed not being able to join the Feast with the community. We beg to have this opportunity, like other religions of our country, to celebrate this significant and solemn celebration with religious mode, joy and festivities. Although the Christian population is not big, we are very much part of this country and making significant contributions towards development initiatives through our caring and sharing efforts, particularly in the areas of Education, Medical care, Poverty alleviation and other community development programs. We appreciate the reformation initiatives of your government, under your great leadership, also for considering various logical and justified people’s demands. We request your sympathetic consideration to declare Easter Sunday a public holiday so that Christian community can enjoy and perform important rituals. Thanking you again, and assure our full support for any initiative for the betterment of our nation.

Scroll to Top