RANGAMATIA PARISH

        Name                   :     Sacred Heart Church (1924)

        Address               :     Catholic Church, Rangamatia

                                            P. O. Rangamatia, Dist. Gazipur-1720

        Parish Priest       :     Fr. Albin Gomes

        Mobile                 :     (+88) 017 1504 1478

        E-mail                  :     montugomes@yahoo.com

        Assistant            :     Fr. Jewel Costa   

        Mobile                 :     (+88) 01736732507

        E-mail                  :     jeweldcosta90@gmail.com

        Catholics             :     3,716

রাঙ্গামাটিয়া ধর্মপল্লীর লোকজন কোথা থেকে প্রথম এখানে এসে বসতি গড়ে তুলেন? বৃদ্ধ-বৃদ্ধাগণ বলে থাকেন, অনেক বৎসর আগে শুলপুর থেকে জয়রামবের গ্রামে তারা প্রথম আসেন। ক্রমান্বয়ে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ রাঙ্গামাটিয়া গ্রাম এবং দক্ষিণ পূর্ব দিকে, অর্থাৎ সাতানীপাড়ায় এসে বসবাস শুরু করেন। তখন এই সমস্ত জায়গায় অনেক জঙ্গল ছিল। জঙ্গল পরিষ্কার করে তারা স্থানটিকে আবাসযোগ্য করে তোলেন। ১৮৩৬ খ্রিষ্টাব্দে তুমিলিয়ায় প্রথম গির্জা নির্মিত হলে রাঙ্গামাটিয়া এলাকা তুমিলিয়ার অধীনে  চলে যায়। ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এ অবস্থা বিদ্যমান থাকে। ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে তুমিলিয়া থেকে যাজক রাঙ্গামাটিয়া গিয়ে প্রতি রোববারে একটি গৃহে সমবেত লোকদের জন্য খ্রিষ্টযাগ অর্পণ করতেন। বিশপ লূয়াজ, সিএসসি, ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে রাঙ্গামাটিয়ার বর্তমান কবরস্থানের জায়গায় একটি বাঁশ ও টিন নির্মিত গির্জাঘর স্থাপন করেন। তিনি একই বৎসরের নভেম্বর মাসের ১৪ তারিখে গির্জাটি আশীর্বাদ করেন এবং ‘পবিত্র যিশু-হৃদয়ের’ নামে গির্জাটি উৎসর্গ করেন। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দের প্রচণ্ড ঝড়ে গির্জা ঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং একই স্থানে পুনরায় আবার নতুন গির্জা নির্মাণ করা হয়।

১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে রাঙ্গামাটিয়া এলাকাটি তুমিলিয়া ধর্মপল্লী থেকে আলাদা হয়ে একটি পরিপূর্ণ ধর্মপল্লীতে রূপান্তরিত হয়। এখানে স্থায়ী ও সার্বক্ষণিকভাবে পালপুরোহিত থাকা শুরু করেন। পালপুরোহিত হিসেবে ফাদার হেনেসীর দ্বিতীয় মেয়াদের সময় ব্রাদার এন্ড্রু ষ্টিফস্, সিএসসি, ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে সিস্টারদের কনভেন্ট নির্মাণ করেন। ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে পুরানো  গির্জার দক্ষিণে ফাদার পৌলিনুস কস্তা, যিনি পরবর্তীতে ঢাকার আর্চবিশপ হয়েছিলেন একটি নতুন পাকা গির্জাঘর এবং দুতলা যাজক ভবন নির্মাণ করেন। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে স্থানীয় কাথলিকদের প্রচেষ্টা ও সাহায্যে প্রথমবারের মত একটি হাইস্কুল চালু করা হয়। রাঙ্গামাটিয়া ধর্মপল্লীতে বর্তমান লোক সংখ্যা ৩,৭১৬ জন। রাঙ্গামাটিয়া ধর্মপল্লী যীশুর পবিত্র হৃদয়ের নামে উৎসর্গীকৃত। সারাদে ও  জয়রামবের রাঙ্গামাটিয়া ধর্মপল্লীর দুটো সাব-সেন্টার। ভ্যালেংকিনী মা মারীয়া হলেন জয়রামবের গির্জার প্রতিপালিকা এবং ক্ষুদ্র পুষ্প সাধ্বী তেরেজা হলেন সারেদে গির্জার প্রতিপালিকা।

Scroll to Top