FAUCAL QUASI PARISH (2018)

        Name                   :     St. Therese of Child Jesus (1972)

        Address               :     Catholic Church Faucal

                                            Vill: Faucal, P.O. B.O.F, Dist. Gazipur

        Parish Priest       :     Fr. Maxwell Thomas

        Mobile                 :     (+88) 01715-771318

        Email                   :     fr.maxbd@gmail.com                

        Catholics            :     2,500 (including other sub-centers)

স্বাধীনতা যুদ্ধের বেশ আগেই জয়দেবপুর জেলা সদর এলাকায় নাগরী ধর্মপল্লীর বাগদী গ্রামের ডা. বার্ণাড রোজারিও, যাকে সবাই বিনু ডাক্তার বলে জানতেন কিছু জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ডা. বার্ণার্ডের অনুরোধে রমনা ও তেজগাঁও থেকে ফাদার পল গমেজ ও ফাদার পিটার বি রোজারিও, বৎসরে দু’একবার তার বাসায় এসে মিসা দিতেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গাজীপুরে মেশিন টুলস্ কারখানা স্থাপিত হলে এই কারখানায় কাজ করার জন্য ভাওয়াল অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে খ্রিষ্টানগণ আসেন। খ্রিষ্টভক্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকায় তাদের আধ্যাত্মিক পরিচর্যার জন্যে ডা. বার্ণার্ডের বাসায় মাসে একবার খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ হতে থাকে। ফাদার পিটার দেশাই ও অন্যান্যদের সাহায্য-সহযোগিতায় জয়দেবপুরে একটি ছনের গির্জা ঘর তৈরি করা হয়।

১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে ফাদার ডমিনিক রোজারিও, তেজগাঁও ধর্মপল্লীতে সহকারী যাজক থাকাকালীন প্রতি রোববার এই কেন্দ্রে এসে মিসা দেওযার ব্যবস্থা করেন। হাতিয়াব গ্রামের অবহেলিত কোচ ব্যাপ্টিষ্ট খ্রিষ্টানদের প্রতিও ফাদার ডমিনিক তাঁর পালকীয় যত্ন জোরদার করেন। বনগ্রাম বা কুইচ্চামারা গ্রামেও তাঁর পালকীয় কাজ প্রসারিত করেন। ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর বনগ্রাম, হাতিযাব, জয়দেবপুর থেকে মোট ৩৩ জনকে দীক্ষা দেওয়া হয়। 

২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ফাওকাল কেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ফাদার আঞ্জেলো কান্তন, পিমে। তাঁরই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরো দুই বিঘা জমি ক্রয় করা হয়। তিনি এখানে একটি পাকা গির্জা, শান্তি রাণী সিস্টারদের জন্য দুতলা কনভেন্ট, পাকা টিনশেডের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গির্জার সম্পত্তি রক্ষার জন্য দেয়াল নির্মাণ করেন। শান্তি রাণী সিস্টারগণ ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এখানে স্থায়ীভাবে থাকা আরম্ভ করেন। পরবর্তীতে  ডিসপেন্সারী নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে খ্রিষ্টভক্তের সংখ্যা প্রায় ১২০০ শত। সম্প্রতি ফাওকালকে কোয়াজী ধর্মপল্লী হিসেবে ঘোষণা ও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

Scroll to Top